📌 ১৯৮৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বিতর্কিত দুই গোলের বলটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪১ কোটি টাকায়। ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ গোলের বলটি টেক্সাসের হেরিটেজ অকশনে নিলামে উঠেছিল
টেক্সাসের নিলাম প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশনস শনিবার বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত বলটির নিলাম সম্পন্ন করেছে। অ্যাডিডাস আজতেকা মডেলের সেই বলটি বিক্রি হয়েছে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪১ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা ছিল বলটির দাম অন্তত ১ কোটি ডলার হবে। তবে শেষ পর্যন্ত বিক্রয়মূল্য তাদের প্রত্যাশার অর্ধেকেরও কমে থেমেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অ্যাডিডাস আজতেকা মডেলের বলটি বিক্রি হয়েছে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ডলারে
- 📌 বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৪১ কোটি টাকা
- 📌 বলটি বিক্রির পূর্বে হেরিটেজ অকশনের প্রত্যাশা ছিল অন্তত ১ কোটি ডলার
- 📌 বলটি দিয়ে ম্যারাডোনা করেছিলেন ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’
- 📌 বলটি আগে দুইবার নিলামে উঠলেও শেষবার বিক্রি হয়েছিল ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে
📰 বিস্তারিত
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুই গোলের বলটির নিলাম সম্পন্ন হয়েছে টেক্সাসের হেরিটেজ অকশনে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ম্যারাডোনা যে বলটি ব্যবহার করেছিলেন, সেই বলটি বিক্রি হয়েছে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪১ কোটি টাকা। বলটি অ্যাডিডাস আজতেকা মডেলের ছিল, যা সেই সময়ের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ছিল।
মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ম্যারাডোনা দুটি গোল করেছিলেন। প্রথম গোলটি ছিল ‘হ্যান্ড অব গড’, যেখানে তিনি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সঙ্গে লড়াইয়ে উঠে বাঁ হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়েছিলেন। রেফারি আলি বিন নাসের ঘটনাটি দেখতে না পাওয়ায় গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ম্যারাডোনা মজা করে বলেছিলেন, গোলটি হয়েছিল ‘ম্যারাডোনার মাথা আর ঈশ্বরের হাতের’ মিশেলে।
এর চার মিনিট পরেই ম্যারাডোনা নিজেদের অর্ধ থেকে বল নিয়ে দৌড় শুরু করেন। ইংল্যান্ডের একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তিনি গোলরক্ষক শিলটনকে পরাস্ত করে দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন। এই গোলটি পরে ফিফার ভোটে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নির্বাচিত হয়েছিল।
"বলটি দীর্ঘদিন ধরে ছিল সেই ম্যাচের তিউনিসিয়ান রেফারি আলি বিন নাসেরের কাছে। ৩৬ বছর পর ২০২২ সালে তিনি এটি প্রথম নিলামে তোলেন। তখন গ্রাহাম বাড অকশনে বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল।"
২০২৩ সালে আবার বলটি নিলামে তোলা হয়েছিল, তবে সংরক্ষিত মূল্য না ওঠায় বিক্রি হয়নি। এবার বিশ্বকাপের পর নতুন করে নিলামে তোলা হয়েছিল বলটি। উল্লেখ্য, ম্যারাডোনার সেই ম্যাচের জার্সি এই বলের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। ২০২২ সালে সোথবিজে জার্সিটির দাম উঠেছিল ৯৩ লাখ ডলার, যা তখন ম্যাচে ব্যবহৃত কোনো ক্রীড়াসামগ্রীর জন্য রেকর্ড ছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডিয়েগো ম্যারাডোনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ কোটি টাকা, ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ডলার, ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!