📌 প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির ঋণ সুদসহ ফেরত চেয়েছে ভারতের এক পরিবার। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথি চেয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির ঋণ সুদসহ ফেরত চেয়েছে ভারতের রুথিয়া পরিবার। ১০৯ বছর পর বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। ব্রিটিশ সরকারের ডেট ম্যানেজমেন্ট অফিস থেকে পরিবারের কাছে প্রেরিত ই-মেইলে বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া হয়েছিল ৩৫ হাজার রুপির ঋণ
- 📌 ১৯১৭ সালের ৪ জুন ভোপাল এজেন্সির কর্মকর্তার মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হয়েছিল
- 📌 পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ব্রিটিশ সরকার এখনো অর্থ ফেরত দেয়নি
- 📌 ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথি চেয়েছে
- 📌 পরিবারের সদস্য গৌতম রুথিয়া জানিয়েছেন, হিসাব শেষে বর্তমান মূল্যের পুরো অর্থ দাবি করা হবে
📰 বিস্তারিত
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির ঋণ সুদসহ ফেরত চেয়েছে ভারতের রুথিয়া পরিবার। পরিবারের পূর্বপুরুষ জুম্মালাল রুথিয়া ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনাদের ব্যয় মেটাতে তিনি অর্থ প্রদান করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। তবে, মূল নথিতে অর্থ ফেরতের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ ছিল না।
পরিবারের সদস্য গৌতম রুথিয়া জানিয়েছেন, তাদের কাছে থাকা ঐতিহাসিক নথিপত্রের ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরকারের কাছে অর্থ ফেরতের দাবি জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথিপত্র চেয়েছে। এর মধ্যে পারিবারিক বংশপরিচয়ের তথ্য, পুরোনো সনদ এবং ১৯১৭ সালে দেওয়া ঋণের বিস্তারিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গৌতম রুথিয়া আরও জানিয়েছেন, হিসাব শেষে বর্তমান মূল্যের পুরো অর্থই ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি করা হবে। জুম্মালাল রুথিয়া ১৯৩৭ সালে মারা যান। এর এক দশক পরে, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়। পরিবারের দাবি, এরপর থেকে ব্রিটিশ সরকার কখনোই অর্থ ফেরত দেয়নি।
"ব্রিটিশ সরকারের কাছে অতিরিক্ত নথিপত্র জমা দেওয়া হচ্ছে। হিসাব শেষে বর্তমান মূল্যের পুরো অর্থই দাবি করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গৌতম রুথিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ হাজার রুপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!