📌 ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং মিয়ানমারের জবাবদিহি চাপিয়ে রাখবে। এছাড়াও বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে সহযোগিতা জানিয়েছেন তিনি
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হিসেবে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনকে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয়দাতাদের উদারতা যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয়। আজ রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।
- 📌 বাংলাদেশের উদারতা: ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ, যা যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয়।
- 📌 আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক পেনহোল্ডার হিসেবে যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ ও জবাবদিহির চাপ অব্যাহত রাখছে।
- 📌 নিরাপত্তা অংশীদারত্ব: বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রসঙ্গে সারাহ কুক বলেন, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক নিশ্চিতকরণে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।
- 📌 বাণিজ্যিক সুবিধা: বাংলাদেশের ৯৯.৮ শতাংশ পণ্য যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। এলডিসি উত্তরণের পরও ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত থাকবে।
📰 বিস্তারিত
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্যও মানবিক সহায়তা প্রদান করছে। তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারেই অবস্থিত, তাই শুধু বাংলাদেশে থাকা শরণার্থীদের সহায়তার মধ্যেই সমাধান সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে এই সম্পর্ক। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মতো বিষয়গুলোর সমন্বিত সমাধান প্রয়োজন।
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রসঙ্গে সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য উত্তরণ প্রক্রিয়াটি মসৃণ ও টেকসই করার জন্য সহযোগিতা করতে চায়। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ৯৯.৮ শতাংশ পণ্য যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। এলডিসি উত্তরণের পরও আরও তিন বছর এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে। এরপরও তৈরি পোশাকসহ ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত থাকবে।
"রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্যও মানবিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ ও উৎস মিয়ানমারেই রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা, ৯৯.৮ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত, ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত (এলডিসি উত্তরণের পর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!