📌 বিজ্ঞানীগণ জানিয়েছেন, স্বপ্নের ঘুম বা আরইএম স্লিপ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়। যুক্তরাজ্য ও চীনের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি রাতে অতিরিক্ত ৪৭.৬ থেকে ৪৮ মিনিট স্বপ্নের ঘুম ৮৩টি রোগের ঝুঁকি কমায়। ডিমেনশিয়া ও পারকিনসন্সের ঝুঁকি যথাক্রমে ৪৬% ও ৩০% কমে যায়।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য স্বপ্নের ঘুমের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, রাতে স্বপ্নের ঘুম বা আরইএম স্লিপ (Rapid Eye Movement) শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য অপরিহার্য। যুক্তরাজ্যের ‘ইউকে বায়োব্যাংক’ এবং চীনের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় দেখা গেছে, স্বপ্নের ঘুম ৮৩টি মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতি রাতে অতিরিক্ত ৪৭.৬ থেকে ৪৮ মিনিট স্বপ্নের ঘুম ৮৩টি রোগের ঝুঁকি কমায়
- 📌 ডিমেনশিয়া ও পারকিনসন্সের ঝুঁকি যথাক্রমে ৪৬% ও ৩০% কমে যায়
- 📌 হার্ট ফেইলিউর ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি ২৬% পর্যন্ত কমে যায়
- 📌 টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১১% কমে যায়
- 📌 স্বপ্নের ঘুম মস্তিষ্কের স্মৃতি ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তাদের মতে, ঘুমের মোট সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বপ্নের ঘুম বা আরইএম স্লিপ। এই অবস্থায় চোখ দ্রুত নড়াচড়া করে এবং মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে, কিন্তু শরীরের পেশিগুলো অবশ থাকে। এই সময়ে মানুষ বাস্তবসম্মত স্বপ্ন দেখে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বপ্নের ঘুম মস্তিষ্কের স্মৃতি জমা করে, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।
যুক্তরাজ্যের ‘ইউকে বায়োব্যাংক’ এবং চীনের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় ৯৫ হাজার ৫৫৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি রাতে অতিরিক্ত ৪৭.৬ থেকে ৪৮ মিনিট স্বপ্নের ঘুম পাওয়া মানুষ ৮৩টি রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পান। বিশেষ করে ডিমেনশিয়া ও পারকিনসন্সের ঝুঁকি যথাক্রমে ৪৬% ও ৩০% কমে যায়। হার্ট ফেইলিউর ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও ২৬% পর্যন্ত কমে যায়।
স্বপ্নের ঘুমের পাশাপাশি গভীর ঘুম বা সলো-ওয়েভ ডিপ স্লিপও মেটাবলিজম ভালো রাখে। প্রতি রাতে অতিরিক্ত ৪৭.৫ মিনিট গভীর ঘুম টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১১% কমিয়ে দেয়। গবেষণায় আরও দেখা যায়, রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা ভিন্ন সময়ে ঘুমাতে যাওয়া শরীর ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
"দিনে অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করলে স্ট্রেস হরমোন বা কর্টিসলের মাত্রা কমে, যা ঘুমের মান বাড়ায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য ও চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষকদের, মানুষের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩টি রোগ, ৯৫ হাজার ৫৫৯ জন, ৪৭.৬ থেকে ৪৮ মিনিট, ৪৬%, ৩০%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!