📌 ভারতের আদালতই বাংলাদেশের অনুরোধে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আদালতের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অভিযোগগুলো ভারতীয় আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না তা যাচাই করা হবে। শেখ হাসিনা নিজেই জানিয়েছেন, ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান
ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিকভাবে নয়, আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের আদালতই স্থির করবে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না
- 📌 আদালতের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অভিযোগগুলো ভারতীয় আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না তা যাচাই করা হবে
- 📌 শেখ হাসিনা নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে চান
- 📌 ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুযায়ী আইনি নথিপত্র সংযুক্ত রয়েছে
- 📌 ভারতের আদালতে প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হলে তা বিভিন্ন দিক থেকে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে
📰 বিস্তারিত
ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। নাম প্রকাশ না করে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আদালতের প্রক্রিয়ায় যা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে তা হলো, যেসব অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ কি না।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, তারা তাদের প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো আপডেট থাকলে আপনাদের জানাব।’ অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পাঠানো প্রত্যর্পণ অনুরোধের সঙ্গে ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র সংযুক্ত রয়েছে।
শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস, তাই আমি ডিসেম্বরেই ফিরে যেতে চাই।’ তিনি জানান, তিনি চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরার পরিকল্পনা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে ভারত সরকারের সেইফ হাউজ থেকে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন শেখ হাসিনা। মাঝে মধ্যে তিনি সরাসরি বৈঠকও করেছেন। এমনকি তিনি নিয়মিত টেবিল টেনিসও খেলছেন।
আওয়ামী লীগের সদস্যরা বলছেন, ভারতের কোনো আদালতে প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হলে ওই রায়কে বিভিন্ন দিক থেকে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে। তাদের যুক্তি হতে পারে—রায়টি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেওয়া হয়েছে এবং তখন মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
‘আদালতের প্রক্রিয়ায় যা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে তা হলো, যেসব অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ কি না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, তারেক রহমান, রণধীর জয়সওয়াল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬, ১২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!