📌 ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে দুই ভাইয়ের বাড়ির মেঝে খোঁড়ায় তিনটি ড্রামে পুঁতে রাখা কোটি টাকার নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের সন্দেহের জেরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে একজন সদস্যকে
ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে দুই ভাইয়ের বাড়ির মেঝে খোঁড়ায় কোটি টাকার নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় গ্রামবাসীদের সন্দেহের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনটি ড্রামে পুঁতে রাখা ৫০০ রুপির নোটের বান্ডিল উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় পরিবারের একজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রয়াগরাজের রামনগর গ্রামে দুই ভাইয়ের বাড়ির মেঝে খোঁড়ায় তিনটি ড্রামে পুঁতে রাখা কোটি টাকার নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
- 📌 রাকেশ ও রাজেশ যাদব নামের দুই ভাই ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে আসেন।
- 📌 স্থানীয়দের সন্দেহের জেরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ একজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাড়িটি সিলগালা করেছে।
- 📌 উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ ৫০০ রুপির নোটে ভর্তি এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি কয়েক কোটি রুপি।
📰 বিস্তারিত
ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের গঙ্গানগর জোনের রামনগর গ্রামের বারাইপুর এলাকায় দুই ভাইয়ের বাড়িতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। বুধবার নবাবগঞ্জ ও সোরাঁও থানার পুলিশের যৌথ দল বাড়িতে প্রবেশ করে। এতে নেতৃত্ব দেন সোরাঁও ও ফুলপুর এলাকার সহকারী পুলিশ কমিশনারেরা।
রাকেশ ও রাজেশ যাদব নামের দুই ভাই আগে ভারতের পুনেতে চাকরি করতেন। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় তারা হঠাৎ চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন, অল্প সময়ের মধ্যে তাদের আর্থিক অবস্থা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা দুই ভাই অল্প সময়ের মধ্যে গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় জমি কিনতে শুরু করেন এবং একটি ট্রাক্টরও কেনেন। তাদের বিলাসী জীবনযাপন নজরে আসে গ্রামবাসীদের।
গ্রামবাসীদের প্রশ্নের জেরে এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, দুই ভাইয়ের কাছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বাড়িতে অভিযান চালায়। প্রথমে তল্লাশি করে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পরে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একটি কক্ষের মেঝে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে মাটি খোঁড়া হয়েছে বলে সন্দেহ হয় পুলিশের। শ্রমিক এনে খনন শুরু করলে মাটির নিচে তিনটি ড্রাম পাওয়া যায়। ড্রামগুলো কালো প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো ছিল। সেগুলো খুলে ভেতরে ৫০০ রুপির নোটের বান্ডিল পাওয়া যায়।
"বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সঠিক অঙ্ক নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।"
গঙ্গানগর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সোনম কুমার বলেছেন, অর্থের উৎস অনুসন্ধানে আয়কর বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট আর্থিক তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে জানানো হয়েছে। কর্মকর্তারা পৌঁছানোর পর নগদ অর্থ গণনা শুরু হবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তিনি বারবার বক্তব্য পরিবর্তন করছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রয়াগরাজ, উত্তরপ্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকেশ ও রাজেশ যাদব, সোনম কুমার (উপ-পুলিশ কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ রুপি (নোটের মান), ৩টি ড্রাম (অর্থের স্টোরেজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!