📌 আর্মেনিয়ার সংসদে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিদের মধ্যে তুমুল লাথি-ঘুসির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নিরাপত্তা কর্মীরা হিমশিম খায় এবং বিরোধী দলের একজন এমপির নাক থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান বিরোধী দলের নেতা কারাপেতিয়ানকে দায়ী করেন
আর্মেনিয়ার সংসদে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিদের মধ্যে তুমুল লাথি-ঘুসির সংঘর্ষে সংসদকক্ষ ছাড়িয়ে করিডোরেও ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পুরো দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে ধরা পড়ে যেখানে নিরাপত্তা কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায়। সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় অডিট চেম্বারের সদস্য নিয়োগ নিয়ে আলোচনার সময়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ অক্টোবর আর্মেনিয়ার সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিদের মধ্যে তুমুল লাথি-ঘুসির সংঘর্ষে সংসদকক্ষ ছাড়িয়ে করিডোরেও ছড়িয়ে পড়ে।
- 📌 স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান বিরোধী দলের নেতা নারেক কারাপেতিয়ানকে দায়ী করে বলেন, তিনি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের এমপি গারনিক দাভতিয়ান সরকারি দলের এমপি তারন চাখোয়ানকে আঘাত করেন।
- 📌 ডেপুটি স্পিকার ভাহাগন আলেক্সানিয়ান সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে বিরোধী দলের এমপিদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন।
- 📌 বিরোধী দলের এমপি আন্দ্রানিক গেভোরগিয়ানের নাক থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায় এবং রুবেন মখিতারিয়ানের পোশাক ছিঁড়ে যায়।
- 📌 চাখোয়ান বিরোধী দলের নেতা কারাপেতিয়ানের চাচাতো ভাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তিনি ক্ষমতায় এলে নারীদের সন্তুষ্ট করার জন্য একটি আলাদা ‘মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
- 📌 স্পিকার রুবিনিয়ান বলেন, সংঘর্ষের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করেছেন কিন্তু চাখোয়ানের বক্তব্যে কোনো আপত্তিকর বিষয় পাননি।
📰 বিস্তারিত
আর্মেনিয়ার সংসদে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অধিবেশন চলাকালে সরকারি দল সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির এমপি তারন চাখোয়ান বিরোধী দলীয় নেতা নারেক কারাপেতিয়ানের চাচাতো ভাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কারাপেতিয়ানের চাচাতো ভাই ক্ষমতায় এলে নারীদের সন্তুষ্ট করার জন্য একটি আলাদা ‘মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ওই মন্তব্যের জন্য কারাপেতিয়ান এখনো ক্ষমা চায়নি বলে উল্লেখ করেন চাখোয়ান। কারাপেতিয়ানের জবাবে প্রথমে তিনি নিজের আসনে বসে কথা বলেন। পরে তিনি বক্তৃতার মঞ্চের দিকে এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের এমপিরা।
সংঘর্ষের সময় সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিরা একে অপরকে ঘুসি ও লাথি মারছেন। সংঘর্ষ সংসদকক্ষ ছাড়িয়ে করিডোরেও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজে ডেপুটি স্পিকার ভাহাগন আলেক্সানিয়ানকে বিরোধী দলের এমপিদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মী ও অন্য এমপিদের হিমশিম খেতে হয়। সংঘর্ষের সময় অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।
সংঘর্ষের পর স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান কারাপেতিয়ানকে দায়ী করে বলেন, তিনি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। তিনি প্রথমে আসনে বসে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এবং পরে উঠে দাঁড়িয়ে চাখোয়ানকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। রুবিনিয়ান আরও দাবি করেন, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের এমপি গারনিক দাভতিয়ান চাখোয়ানকে আঘাত করেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করেছেন কিন্তু চাখোয়ানের বক্তব্যে কোনো আপত্তিকর বিষয় পাননি।
"বিরোধী দলের নেতা কারাপেতিয়ান নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। তিনি প্রথমে আসনে বসে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এবং পরে উঠে দাঁড়িয়ে চাখোয়ানকে আঘাত করার চেষ্টা করেন।"
সংঘর্ষের সময় বিরোধী দলের এমপি আন্দ্রানিক গেভোরগিয়ানের নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা যায় এবং রুবেন মখিতারিয়ানের পোশাকও ছিঁড়ে যায়। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় নিরাপত্তা কর্মীরা সংসদ ভবনের করিডোরে সংঘর্ষে জড়ানো দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। সংঘর্ষের পর সংসদ ভবনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আর্মেনিয়া, সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারন চাখোয়ান, নারেক কারাপেতিয়ান, রুবেন রুবিনিয়ান, ভাহাগন আলেক্সানিয়ান, আন্দ্রানিক গেভোরগিয়ান, রুবেন মখিতারিয়ান, গারনিক দাভতিয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!