📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ অন্যান্য বিকল্প পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন খারিজ করেছেন। আদালত জানিয়েছেন, বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে এবং ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপস্থাপিত হলে পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশন বা অন্যান্য বিকল্প পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন খারিজ করেছেন। আদালত জানিয়েছেন, দেশটিতে বর্তমান ব্যবস্থা অর্থাৎ ফাঁসির মাধ্যমেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ অন্যান্য বিকল্প পদ্ধতির আবেদন খারিজ করেছেন
- 📌 বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ সিদ্ধান্ত দেন
- 📌 আবেদনকারী আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা ফাঁসিকে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও অমানবিক দাবি করে বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছিলেন
- 📌 ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখেন আদালত
📰 বিস্তারিত
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ অন্যান্য বিকল্প পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন খারিজ করেছেন। আদালত জানিয়েছেন, দেশটিতে বর্তমান ব্যবস্থা অর্থাৎ ফাঁসির মাধ্যমেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আবেদনও খারিজ করেছেন বিচারপতিরা।
আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা ফাঁসিকে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক, অমানবিক ও নিষ্ঠুর পদ্ধতি হিসেবে বর্ণনা করে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে প্রাণঘাতী ইনজেকশন, গুলি, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করা বা গ্যাস চেম্বার ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাঁর আবেদনে বলা হয়, এসব পদ্ধতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু ঘটানো সম্ভব। অন্যদিকে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘোষণা করতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় লাগে বলে উল্লেখ করা হয়।
আদালত জানিয়েছেন, আবেদন খারিজের অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সাংবিধানিক পর্যালোচনার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানসংক্রান্ত বা বাস্তবভিত্তিক জোরালো প্রমাণ উপস্থাপিত হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। আদালত আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতিগুলো নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে পারে।
"বর্তমান রিট আবেদন খারিজের অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সাংবিধানিক পর্যালোচনার পথ বন্ধ হয়ে গেল। বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানসংক্রান্ত বা বাস্তবভিত্তিক এমন কোনো জোরালো প্রমাণ সামনে এলে, যা পরবর্তী সময়ের উন্নয়নের কারণে দিনা মামলার সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে থাকা বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত প্রমাণ করে, তখন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 বিচারক: বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা
- 👥 আইনজীবী: ঋষি মালহোত্রা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ধারা ৩৫৪(৫), অনুচ্ছেদ ২১, ৪০ মিনিট, ৫ মিনিট, ২২ জানুয়ারি, ১৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!