📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ বিকল্প পদ্ধতি চালুর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ফলে দেশটিতে প্রচলিত ফাঁসির বিধানই বহাল থাকছে। তবে ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সামনে এলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছে আদালত
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইনজেকশনসহ বিকল্প পদ্ধতি চালুর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ফলে দেশটিতে প্রচলিত ফাঁসির বিধানই বহাল থাকছে। ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসাগতভাবে শক্তিশালী প্রমাণ সামনে এলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে প্রাণঘাতী ইনজেকশন, গুলি, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও গ্যাস চেম্বারের প্রস্তাব খারিজ করেছে
- 📌 বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেয়
- 📌 আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ঋষি মালহোত্র ফাঁসিকে অমানবিক ও যন্ত্রণাদায়ক দাবি করে বিকল্প পদ্ধতির দাবি জানান
- 📌 সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে জীবনের অধিকার ও ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয়টি তুলে ধরে আবেদন করা হয়েছিল
- 📌 ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৪ ধারার উপধারা ৫ অনুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলিত বিধান বহাল থাকছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ফাঁসির পরিবর্তে বিকল্প পদ্ধতি চালুর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। আবেদনকারী পক্ষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলিত পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে প্রাণঘাতী ইনজেকশন, গুলি করে হত্যা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করা এবং গ্যাস চেম্বারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তাব তুলে ধরে।
আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ঋষি মালহোত্র যুক্তি দেন যে, ফাঁসিতে ঝোলানো অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক, অমানবিক ও নিষ্ঠুর পদ্ধতি। তার মতে, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে তুলনামূলক কম সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব এবং এতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জীবনের মর্যাদা কিছুটা হলেও সংরক্ষিত থাকে। তিনি সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে জীবনের অধিকার ও ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয়টি উল্লেখ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি চালুর দাবি জানান।
আবেদনে আরও বলা হয় যে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৪ নম্বর ধারার উপধারা (৫)-এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ফাঁসির বিধান রয়েছে, যা অসাংবিধানিক ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, বর্তমান আবেদন খারিজ করার অর্থ এই নয় যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল।
"বর্তমান আবেদন খারিজ করার অর্থ এই নয় যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসাগত প্রমাণ সামনে এলে বিষয়টি আবারও পর্যালোচনা করা যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 বিচারকগণ: বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা
- 👥 আইনজীবী: ঋষি মালহোত্র
- 🔢 সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ২১
- 🔢 ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৩৫৪ (উপধারা ৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!