📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বিপ্লব: ব্যক্তিখাতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অনুমোদন দিল সরকার

ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বিপ্লব: ব্যক্তিখাতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অনুমোদন দিল সরকার

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারত সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিওর ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যক্তিখাতে স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানি নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে ব্যক্তিখাতকে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

ভারত সরকার দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যক্তিখাতে স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারত সরকার ডিআরডিওর সব প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রযুক্তি ব্যক্তিখাতে স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে
  • 📌 ব্যক্তিখাতকে উৎপাদন ও প্রযুক্তির অধিকার দেওয়া হবে, তবে প্রযুক্তিগত যোগ্যতা ও নিয়ন্ত্রক শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে
  • 📌 সরকারের লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন
  • 📌 ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট গত এক দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 ব্যক্তিখাতকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের মূল ব্যবস্থাপক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে

📰 বিস্তারিত

ভারত সরকার দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিওর ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যক্তিখাতে স্থানান্তরের অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের অনুমোদনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্য দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং ভারতীয় এমএসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) ও প্রযুক্তি অংশীদারদের সরবরাহ শৃঙ্খলে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।"

বেঙ্গালুরুভিত্তিক তক্ষশীল ইনস্টিটিউশনের গবেষণা সহযোগী আদিত্য রমনাথনের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, রেডিয়েশন বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং ভূমি আক্রমণকারী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির প্রতিরক্ষা উৎপাদনে একটি বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নীতির অধীনে ব্যক্তিখাতকে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট গত এক দশকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

"এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং ভারতীয় এমএসএমই ও অন্যান্য প্রযুক্তি অংশীদারদের সরবরাহ শৃঙ্খলে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।"
"ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়ন থেকে শিল্প উৎপাদনে সফল রূপান্তর নিশ্চিত করা হবে এবং এমএসএমই ও অন্যান্য প্রযুক্তি অংশীদারদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।"
"ডিআরডিও ভারতীয় শিল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির স্থানান্তর ও শোষণ সহজতর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশের স্বদেশী প্রতিরক্ষা ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬ বিলিয়ন ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖