📌 নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট পাহাড় ধসে অন্তত ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ এবং ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে
নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী রাসুওয়াগাধি এলাকায় হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট পাহাড় ধসে অন্তত ৩৮৪ পর্যটক ও ভ্রমণকারী নিখোঁজ হয়ে গেছেন। একই ঘটনায় নেপালে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ বিপর্যয় ঘটে বলে বিবিসির বরাতে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে হিমবাহ ভাঙনের ফলে পাহাড় ধসে বিপর্যয় ঘটে
- 📌 নিখোঁজ পর্যটক ও ভ্রমণকারীর সংখ্যা ৩৮৪ জন
- 📌 নেপালে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৮ জনের
- 📌 ঘটনাস্থল রাসুওয়াগাধি এলাকা, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টা
- 📌 উদ্ধার অভিযানে হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন দল মোতায়েন
📰 বিস্তারিত
লাংটাং অঞ্চলে যাওয়া ট্রেকার ও মাউন্ট কৈলাসগামী পর্যটকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতপথ হিসেবে পরিচিত রাসুওয়াগাধি এলাকায় হিমবাহের হ্রদ ভেঙে যাওয়ার কারণে এ বিপর্যয় ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভোতেকোশি নদীর ওপরের দিকে ঘটা এ ঘটনায় নদীর নিম্নাঞ্চলের চিতওয়ান পর্যন্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের শিজাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গিরং বন্দরের কাছেও ভূমিধস আঘাত হেনেছে। এতে চীনের অংশে বন্দরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়ক, যোগাযোগব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকাজে হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন দল মোতায়েন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুর সরকারি হাসপাতাল ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
"ভোতেকোশি নদীর ওপরের দিকে হিমবাহের হ্রদ ভেঙে যাওয়ার কারণে এ বন্যা হয়ে থাকতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাসুওয়াগাধি এলাকা, নেপাল-চীন সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শৈলেন্দ্র থাপা (সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮৪ জন নিখোঁজ, ১৮ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!