📌 বিএসটিআইর ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানহীন প্রমাণিত হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোক্তাদেরও এসব পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) দেশের বাজার থেকে মানহীন ঘি ও মসলাসহ মোট ১০টি পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। সম্প্রতি বিএসটিআইয়ের নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংগৃহীত পণ্যের ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এসব পণ্যের মান নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএসটিআইর পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ঘিতে মিল্ক ফ্যাটের পরিবর্তে পাম অয়েল ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে
- 📌 বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত পাঁচ ধরনের মসলা মানদণ্ড অতিক্রম করেছে
- 📌 বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি, অরুন বাঘাবাড়ী, নিউ রাঁধুনী, সিটি ব্র্যান্ডের ঘি ও এলডার্স ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল মানহীন হিসেবে চিহ্নিত
- 📌 বিএসটিআই মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক পণ্যের মান নিশ্চিতকরণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
বিএসটিআইর নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা যায়, বাঘাবাড়ি ঘিতে মিল্ক ফ্যাটের পরিবর্তে শুধু পাম অয়েল ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে এটি প্রকৃত ঘি নয় বলে প্রতীয়মান হয়। এছাড়া বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারী পাউডার, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা বিভিন্ন প্যারামিটারে নির্ধারিত মানদণ্ড অতিক্রম করেছে।
মানহীন ঘি ও বাটার অয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট ও এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ। এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্যে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু এবং পলেন্সকে ভ্যালু নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, "জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর।" তিনি আরও বলেন, বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
"পণ্য ক্রয়ের আগে ক্রেতাসাধারণকে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআই মহাপরিচালক। কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা অথবা বিএসটিআইয়ের মান চিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত বিএসটিআইকে (হটলাইন ১৬১১৯) কল করে অথবা ([email protected]) ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী ইমদাদুল হক (বিএসটিআই মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি পণ্য, ২ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!