📌 যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও মৌমাছিরা ফুলের খোঁজে উড়ে বেড়াচ্ছে। ইব্রাহিম নাজি আল-দাব্বা নামের এক মৌমাছিপ্রেমী যুদ্ধের মধ্যেও মৌচাষ চালিয়ে যাচ্ছেন
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও মৌমাছিরা ফুলের খোঁজে উড়ে বেড়াচ্ছে। ধ্বংস হওয়া শহরে ফুল ফুটছে, আর সেই ফুলের মধু সংগ্রহ করতে মৌমাছিরা ভনভন শব্দ তুলে উড়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের মধ্যেও প্রকৃতির এই চিহ্ন যেন মানুষকে জীবনের প্রতি আশাবাদী করে তুলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও মৌমাছিরা ফুলের খোঁজে উড়ে বেড়াচ্ছে।
- 📌 ইব্রাহিম নাজি আল-দাব্বা নামের এক মৌমাছিপ্রেমী যুদ্ধের মধ্যেও মৌচাষ চালিয়ে যাচ্ছেন।
- 📌 ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও ফুল ফুটছে, যা মৌমাছিদের খাদ্যের উৎস।
- 📌 যুদ্ধের আগে ইব্রাহিমের ছিল ৪০০টির বেশি মৌচাকের বাক্স।
📰 বিস্তারিত
চারদিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজা শহরে মাঝেমধ্যেই শোনা যায় যুদ্ধবিমানের গর্জন। ভাঙা কংক্রিট, পোড়া দেয়াল আর বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ভবনগুলো যেন মৃত্যু ও ধ্বংসের এক দীর্ঘ নীরবতা বহন করছে। কিন্তু এই নীরবতা ভেঙে মাঝেমধ্যেই শোনা যায় মৌমাছির ‘ভনভন’ শব্দ। যুদ্ধের মধ্যেও এই মৌমাছিরা ফুলের খোঁজে উড়ে বেড়াচ্ছে।
যুদ্ধ শুধু মানুষের জীবন নয়, ধ্বংস করেছে গাজার জলপাই বন, কমলার বাগান, গুলবাহার আর বুনো ফুলে ভরা প্রান্তর। ধ্বংসস্তূপের নিচে হারিয়ে গেছে সেই সবুজ, যার ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে মৌমাছি। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় এখনো মৌমাছি উড়ছে। এর অর্থ ধ্বংস্তূপের কোথাও না কোথাও ফুল ফুটে আছে। ফুলের ডাকহরকরা হিসেবে মৌমাছিরা পরাগবাহক হিসেবে কাজ করে। তারা ফুল থেকে ফুলে ঘুরে ঘুরে পরাগ আদান-প্রদান করে, যার মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবিস্তার ঘটে।
মৌমাছির প্রধান খাবার হলো ফুলের মধু ও পরাগরেণু। এছাড়া তারা পাকা ফলের রস, মৌ-রুটি ও রয়েল জেলিও খায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় তারা এসব খাবারের উৎস খুঁজে পেয়েছে। ধসে পড়া একটি ভবনের ছাদে মৌমাছিপ্রেমী ইব্রাহিম নাজি আল-দাব্বা মৌচাষ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর পরিবারসহ তিনি যুদ্ধের কারণে বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং শেষমেষ গাজা সিটির তেল আল-হাওয়া এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন।
"মৌমাছির জন্য গাছ লাগে। অথচ আমরা এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে মৌমাছি পালন করছি।"
যুদ্ধের আগে পূর্ব গাজাজুড়ে ইব্রাহিমের ছিল ৪০০টির বেশি মৌচাকের বাক্স। যুদ্ধ ধ্বংস করে দিয়েছে তাঁর সব। যার বাজারমূল্য ছিল সাড়ে তিন লাখ ডলার। যুদ্ধবিরতির পর তিনি ভেবেছিলেন আবার ফিরে পাবেন তাঁর পেশা, কিন্তু ধ্বংসাবশেষ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা শহর, ফিলিস্তিন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহিম নাজি আল-দাব্বা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ (মৌচাকের বাক্স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!