📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, যা ইথিওপিয়ার টিগ্রে যুদ্ধে ইরিত্রীয় বাহিনীর ভূমিকা ও প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ার্কির বিরুদ্ধে ছিল। রেড সাগর অঞ্চলে মার্কিন আগ্রহের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইরিত্রিয়া নিষেধাজ্ঞাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করে স্বাগত জানায়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রেড সাগরের রণনীতির অংশ হিসেবে ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে লক্ষ্য করে ২০২১ সালের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেননি, বরং তা ‘রেড সাগরে মার্কিন আগ্রহের অগ্রগতি’ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইরিত্রিয়ার অবস্থান এবং রেড সাগরের তেল পরিবহনের গুরুত্ব এই পদক্ষেপের পিছনে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে, যা প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ার্কি ও তার পার্টি ‘পিপলস ফ্রন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড জাস্টিস’-কে লক্ষ্য করে ছিল।
- 📌 ইরিত্রীয় তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল বলেন, ‘বাইডেন প্রশাসনের একপাক্ষিক নিষেধাজ্ঞা কোনো যুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ স্বাগত্যজনক’।
- 📌 ইথিওপিয়ার টিগ্রে যুদ্ধে ইরিত্রীয় বাহিনী ও আফওয়ার্কির পার্টি তিগ্রে অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী ছিল। যুদ্ধে অন্তত ৬০০,০০০ জন নিহত হয় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইথিওপিয়া ও তিগ্রে বিদ্রোহীদের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন ‘অসম’ হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নীতি পরিবর্তন করে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। এই নিষেধাজ্ঞা ইরিত্রীয় বাহিনী, প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ার্কি ও তার পার্টি ‘পিপলস ফ্রন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড জাস্টিস’-কে লক্ষ্য করে ছিল। নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারণ হিসেবে ইথিওপিয়ার টিগ্রে যুদ্ধে ইরিত্রীয় বাহিনীর ভূমিকা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ উল্লেখ করা হয়েছিল।
ইরিত্রিয়া রেড সাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে অবস্থিত, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আঞ্চলিক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার মধ্যে ২০২২ সালের শেষে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির পরেও বাস্তবায়ন ‘অসম’ বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নীতি পরিবর্তন করে ইরিত্রিয়ার সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
ইরিত্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল রায়টার্সকে বলেন, ‘বাইডেন প্রশাসনের একপাক্ষিক নিষেধাজ্ঞা পাঁচ বছর আগে জারি করা হয়েছিল এবং তা কোনো যুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ স্বাগত্যজনক এবং ইরিত্রিয়ার জন্য একটি উন্নতির সিগন্যাল’।
"to advance US regional interests"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রেড সাগর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ইরান, ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ার্কি, তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০,০০০ জন (টিগ্রে যুদ্ধে নিহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!