📌 গাজায় যুদ্ধের মধ্যেও মানুষের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সংরক্ষণে ‘গাজা পাবলিকেশনস’ নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন লেখক হুসাম মারুফ। তাঁর উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে একাধিক বই, যেখানে উঠে এসেছে যুদ্ধকালীন জীবনের নানা দিক
গাজায় চলমান যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও ফিলিস্তিনিদের জীবন, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন লেখক হুসাম মারুফ। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘গাজা পাবলিকেশনস’ নামের প্রকাশনা সংস্থা যুদ্ধকালীন মানবিক সংকটের দলিল হয়ে উঠছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজায় যুদ্ধের সময় মানুষের গল্প ও অভিজ্ঞতা সংরক্ষণে ‘গাজা পাবলিকেশনস’ প্রতিষ্ঠা করেন হুসাম মারুফ
- 📌 প্রকাশনা সংস্থাটির প্রথম বই ছিল আমের আল-মাসরির ‘দ্য ম্যান হু লুকড ব্যাক’, যেখানে যুদ্ধকালীন ভয় ও মানবিক সংকট তুলে ধরা হয়েছে
- 📌 দ্বিতীয় বই হিসেবে প্রকাশিত হয় রেহাম আল-সাবির উপন্যাস ‘আই অ্যাম অ্যাট ইউর ডোর’, যেখানে ফিলিস্তিনি নারীদের যুদ্ধকালীন জীবনের কথা বর্ণিত হয়েছে
- 📌 প্রকাশনা সংস্থাটির লোগোয় ব্যবহৃত হয়েছে একটি থমকে যাওয়া বালুঘড়ি, যা যুদ্ধকালীন স্থবির সময়ের প্রতীক
📰 বিস্তারিত
গাজায় যুদ্ধ শুরুর সময় লেখক হুসাম মারুফ তাঁর পরিবারের সঙ্গে রাফাহ শহরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। চারপাশে অবিরাম গোলাবর্ষণের মধ্যেও তিনি অনুভব করেছিলেন, তাঁর মৃত্যু হলেও তাঁর লেখা ও অভিজ্ঞতা যেন হারিয়ে না যায়। মারুফের মতে, একজন মানুষের মৃত্যু আর তাঁর স্মৃতি হারিয়ে যাওয়া এক নয়। তাই তিনি গাজায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধারে উদ্যোগী হন।
যুদ্ধের সময় গাজার অধিকাংশ গ্রন্থাগার ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। লেখালেখি ও প্রকাশনা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মারুফ প্রশ্ন তোলেন, এই সময়ের মানুষের গল্পগুলো কে সংরক্ষণ করবে? তাঁর এই ভাবনার ফসল হিসেবে জন্ম নেয় ‘গাজা পাবলিকেশনস’।
প্রকাশনা সংস্থাটির প্রথম বই ছিল আমের আল-মাসরির ‘দ্য ম্যান হু লুকড ব্যাক’। বইটিতে যুদ্ধকালীন ভয়, পরিবারের দুশ্চিন্তা ও পরিচয় ধরে রাখার চেষ্টার কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রকাশনার দিন মারুফ জানতে পারেন, তাঁর এক কাজিনের পরিবারের সবাই নিহত হয়েছে। একই দিনে তিনি অনুভব করেন, তাঁর প্রকাশনার মাধ্যমে মানুষের গল্প সংরক্ষণের গুরুত্ব।
"যুদ্ধ থামাতে না পারলেও মানুষের গল্প ও স্মৃতি ধরে রাখতে পারে লেখা। চারপাশ ধ্বংস হয়ে গেলেও মানুষের পরিচয় ও অভিজ্ঞতা হারিয়ে যায় না।"
‘গাজা পাবলিকেশনস’-এর দ্বিতীয় প্রকাশনা ছিল রেহাম আল-সাবির উপন্যাস ‘আই অ্যাম অ্যাট ইউর ডোর’, যেখানে ফিলিস্তিনি নারীদের যুদ্ধকালীন জীবনের কথা বর্ণিত হয়েছে। বইটিতে বাস্তুচ্যুতি, ভয় ও দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। প্রকাশনা সংস্থাটির লোগোয় ব্যবহৃত থমকে যাওয়া বালুঘড়ি যুদ্ধকালীন স্থবির সময়ের প্রতীক।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা, ফিলিস্তিন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুসাম মারুফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!