📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো ২০০৭ সালের ‘কালো দিবস’, স্মরণ করা হলো নির্যাতনের বিভীষিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো ২০০৭ সালের ‘কালো দিবস’, স্মরণ করা হলো নির্যাতনের বিভীষিকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০০৭ সালের আগস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চালানো নির্যাতনের বিভীষিকাময় ঘটনা স্মরণে কালো ব্যাজ ধারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় ঐতিহাসিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের কথা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৭ সালের আগস্ট মাসে সংঘটিত নির্যাতনের বিভীষিকাময় ঘটনা স্মরণে রোববার পালিত হয়েছে ‘কালো দিবস’। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অংশ নেন উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অ্যালামনাইরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০০৭ সালের ২০ থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চালানো হয় নির্যাতন
  • 📌 আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি বিভীষিকাময় অধ্যায়
  • 📌 ২০০৯ সালের সিনেট অধিবেশনে ২৩ আগস্টকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
  • 📌 ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত ইমেরিটাস অধ্যাপক সদরুল আমিন স্মৃতিচারণায় বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশকে কয়েকজনের কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী করা উচিত নয়
  • 📌 সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ঘটনাটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্তব্ধ করার একটি চেষ্টা

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে রোববার পালিত ‘কালো দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ২০০৭ সালের আগস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চালানো নির্যাতন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি বিভীষিকাময় অধ্যায়। তিনি আরও বলেন, ওই সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের হয়রানি, নির্যাতন ও চাপ প্রয়োগের ঘটনা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।

সভা সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিকভাবেই অন্যায়, নিপীড়ন ও অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তিনি ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। উপাচার্য আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে অন্যায়, নিপীড়ন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার শিক্ষা দেওয়াই এ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত ইমেরিটাস অধ্যাপক সদরুল আমিন সে সময়ের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি জানান, সহকর্মীদের মুক্তির আগে তিনি নিজের মুক্তি নিতে চাননি। সদরুল আমিন বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কয়েকজনের কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো বাহিনীকে দায়ী করা উচিত নয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

"২০০৭ সালের আগস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি বিভীষিকাময় অধ্যায়। ওই সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের হয়রানি, নির্যাতন ও চাপ প্রয়োগের ঘটনা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট, ২১ আগস্ট, ২২ আগস্ট, ২৩ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖