📌 ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা ধ্বংস করে দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যৌথ নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ১০২ সাবেক কূটনীতিক এক যৌথ চিঠিতে সতর্ক করেছেন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁরা দুই দেশের সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যৌথভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ১০২ জন সাবেক কূটনীতিক এক যৌথ চিঠিতে সতর্ক করেছেন। তাঁরা বলেছেন, দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গতকাল শনিবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম ল্য মঁদ-এ প্রকাশিত ওই চিঠিতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ১০২ সাবেক কূটনীতিক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যৌথ নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 চিঠিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ইসরায়েল দায়ী
- 📌 অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান
- 📌 ইসরায়েলি বসতিতে বাণিজ্য বন্ধ ও অস্ত্র সরবরাহ স্থগিতের দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 গাজায় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-এর ভূমিকা জোরদারের আহ্বান
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ১০২ জন সাবেক কূটনীতিক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যৌথভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিতে একটি যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাঁরা বলেছেন, দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গতকাল শনিবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম ল্য মঁদ-এ প্রকাশিত ওই চিঠিতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ইসরায়েল দায়ী।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী কূটনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জেরেমি গ্রিনস্টক, এমির জোন্স প্যারি, ফ্রান্সের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক পরিচালক ইভ অবিন দে লা মেসুজিয়ের, ডেনিস বোচার্ড প্রমুখ। তাঁদের অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও পুলিশের পরোক্ষ মদদে উগ্র ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের চরম সহিংসতা জাতিগত নিধনের শামিল।’
ইরান, কাতার ও ইয়েমেনে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাস হপটনও চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের নতুন তোড়জোড় শুরু হওয়ায় এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল সরকার পশ্চিম তীরে এমনভাবে নতুন বসতি গড়ার পাঁয়তারা করছে, যা ভবিষ্যতে সেখানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কোনো সুযোগই রাখবে না।
গাজায় ইসরায়েলের দীর্ঘ সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে এ চিঠি সামনে এল। গত বছরের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা থামেনি। উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই যুদ্ধবিরতির পর থেকেও এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৮৫ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন।
‘আমরা কথা নয়, কাজ দেখতে চাই। গত কয়েক মাস ও বছর ধরে আমাদের মন্ত্রীরা শুধু নিন্দা আর সমালোচনা করে বিবৃতিই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন ইসরায়েলের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ এবং গাজায় সাহায্য পাঠানোর ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেরেমি গ্রিনস্টক, ইভ অবিন দে লা মেসুজিয়ের, নিকোলাস হপটন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০২ জন সাবেক কূটনীতিক, ১ হাজার ২৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!