📌 ব্রাজিলের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর নিজেকে ‘প্রকৃত নেতা’ বলে দাবি করেছেন। তিনি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন এবং ব্রাজিলের নির্বাচনকে ‘অপরাধী সংগঠনের’ কাজ বলে অভিহিত করেছেন
ব্রাজিলের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর নিজেকে ‘প্রকৃত নেতা’ বলে দাবি করেছেন। তিনি ব্রাজিলের নির্বাচনকে ‘কারচুপি’ বলে অভিহিত করেছেন এবং নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার বিরুদ্ধে ‘অপরাধী সংগঠনের’ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর ফ্লাভিও পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং সেখানে নিজেকে ‘রাজনৈতিক নির্বাসনে’ থাকা ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর নিজেকে ‘প্রকৃত নেতা’ বলে দাবি করেছেন এবং নির্বাচনকে ‘কারচুপি’ বলে অভিহিত করেছেন।
- 📌 ফ্লাভিও বলেন, ‘আমিই নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ এবং নির্বাচনকে ‘অপরাধী সংগঠনের’ কাজ বলে উল্লেখ করেছেন। পরে তিনি নিজেকে ‘নেতা’ বলে সংশোধন করেন।
- 📌 ব্রাজিলের লিবারেল পার্টির সিনেট নেতা রোজারিও মারিনহো ফ্লাভিওর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন, কিন্তু কারচুপির অভিযোগে একমত হননি।
- 📌 ফ্লাভিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের প্রার্থী ছিলেন এবং তিনি নির্বাচন ফলাফল বাতিলের দাবি তুলেছেন।
- 📌 ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট ফ্লাভিওর পাসপোর্ট বাতিল করে, কারণ তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট জমা দেননি।
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান। তিনি ফ্লোরিডার মায়ামি নিকটবর্তী ওপা-লোকা বিমানবন্দরে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে পৌঁছান। যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ফ্লাভিও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমিই নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। যাঁরা নির্বাচনের ফলাফল চুরি করেছেন, তাঁরা একটি অপরাধী সংগঠনের অংশ। এই সংগঠন দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছে।’ তবে পরে তিনি বিবৃতিটি সংশোধন করে নিজেকে ‘নেতা’ বলে উল্লেখ করেন।
ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় ফ্লাভিওর রাজনৈতিক দল লিবারেল পার্টির সিনেট নেতা রোজারিও মারিনহো ফ্লাভিওর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফ্লাভিওকে রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকা ব্যক্তি হিসেবে দেখতে হবে।’ তবে তিনি ফ্লাভিওর কারচুপির অভিযোগে একমত হননি। মারিনহো বলেন, ‘লিবারেল পার্টি এমন দাবি করতে পারে না। এর কোনো প্রমাণ নেই।’
ফ্লাভিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের প্রার্থী ছিলেন। তিনি নির্বাচন ফলাফল বাতিলের দাবি তুলেছেন। ব্রাজিলের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ফ্লাভিওর বিরুদ্ধে ব্রাজিলে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তদন্ত চলছে। সুপ্রিম কোর্ট গত সোমবার ফ্লাভিওকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি জমা দেননি। আদালত নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর গত মঙ্গলবার ফ্লাভিওর পাসপোর্টগুলো বাতিল করে ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে তিনি পরিবার নিয়ে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।
"আমিই নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। যাঁরা ব্রাজিলের নির্বাচনের ফলাফল চুরি করেছেন, তাঁরা একটি অপরাধী সংগঠনের অংশ। এই সংগঠন দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা (ওপা-লোকা বিমানবন্দর), ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্লাভিও বলসোনারো, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, রোজারিও মারিনহো, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!