📌 চব্বিশের গণ-আন্দোলনের সময় ডিবি কার্যালয়ে সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে মানসিক নির্যাতনের শিকার করা হয়। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাদেরকে আলাদা কক্ষে বাথরুমের দরজার সামনে বসিয়ে ঘুমাতে দেওয়া হতো না এবং পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার ভয় দেখানো হত। ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদেরকে জোরপূর্বক ভিডিও নাটকে জড়িয়ে দেন
চব্বিশের গণ-আন্দোলনের সময় ডিবি কার্যালয়ে মানসিক নির্যাতনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সারজিস আলম। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সায়েন্সল্যাবের বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাদেরকে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনে চেয়ারে বসিয়ে ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার মতো ভয় দেখিয়ে মানসিক টর্চার করা হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং তাদেরকে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনে বসিয়ে ঘুমাতে দেওয়া হতো না
- 📌 ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদেরকে জোরপূর্বক একটি ভিডিও নাটকে জড়িয়ে দেন, যেখানে নাহিদ ইসলাম প্রথমে সম্মত হন
- 📌 ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনে বসিয়ে এবং পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার ভয় দেখিয়ে মানসিক নির্যাতন করা হয়
- 📌 সারজিস আলম বলেন, সাধারণ জনগণ বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিবৃতি আদায় করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সারজিস আলম জানান, সায়েন্সল্যাবের একটি বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদেরকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনে চেয়ারে বসিয়ে ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার মতো ভয় দেখিয়ে তাদের মানসিক টর্চার করা হতো।
ডিবি কার্যালয়ের সেই ড্রামার পেছনের কথা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং সেখান থেকে কোনোমতে বেরিয়ে আসার তাগিদে নাহিদ ইসলাম প্রথমে তাতে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।
সারজিস আলম ডিবির এই নাটক নিয়ে আরও বলেন, মাত্র কয়েক লাইনের একটি লেখা পড়িয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে নাটক সাজানো হয়েছিল, সাধারণ জনগণ তা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলেছিল। সবাই বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই এই বিবৃতি আদায় করা হয়েছে।
"তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং সেখান থেকে কোনোমতে বেরিয়ে আসার তাগিদে নাহিদ ইসলাম প্রথমে তাতে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডিবি কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, হারুন অর রশীদ, নাহিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!