📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কানাডাকে সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয় এবং তার কাছে বৈরী পদক্ষেপ মনে হয়, তাহলে ইউরোপের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে। ফ্রান্সের মন্ত্রী জানান, ইইউর ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কানাডাকে সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি শুল্ক হুমকি দিয়েছেন যে, যদি প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয় এবং তার কাছে বৈরী পদক্ষেপ মনে হয়, তাহলে ইউরোপের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প উত্তর ক্যারোলিনায় একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি তারা প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে এবং আমার কাছে বৈরী পদক্ষেপ মনে হয়, তাহলে আমি ইউরোপের ওপর খুব কঠিন শুল্ক আরোপ করব অথবা অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে বাণিজ্য বন্ধ করে দেব।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইইউ কানাডাকে সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাব** — ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের প্রস্তাবকে ট্রাম্প ‘হাস্যকর’ বলে উল্লেখ করেছেন।
- 📌 **শুল্ক হুমকি**: ট্রাম্প বলেন, বৈরী পদক্ষেপ মনে হলে ইউরোপের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ বা বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিয়েছেন।
- 📌 **ফ্রান্সের প্রতিবাদ**: ফ্রান্সের ইউরোপবিষয়ক মন্ত্রী বেঞ্জামিন হাদাদ জানান, ইইউর ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই।
- 📌 **প্রস্তাবের অজানা ভবিষ্যত**: ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, সদস্যদেশগুলোর অনুমোদন ছাড়া প্রস্তাব কার্যকর হবে না।
- 📌 **যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সম্পর্কের অবনতি**: ট্রাম্পের ফেরার পর অটোয়া-ওয়াশিংটন সম্পর্কে অবনতি হয়েছে, যা বাণিজ্যে শুল্ক আরোপের কারণ হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র ওলোফ গিল বলেছেন, কানাডার সাথে অংশীদারত্ব জোরদারের প্রস্তাব অন্য কারোর বিরুদ্ধে নয়। বরং এটি ইইউর সম্মিলিত শক্তি বাড়ানোর উদ্দেশ্য। তবে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ইইউর প্রস্তাবের চেয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে। তিনি মনে করেন, কোনো দেশের সাথে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব অন্য দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় ইউনিয়নের বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে ফন ডার লেয়েন কানাডাকে সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাব দেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও উপস্থিত ছিলেন। তিনি মনে করেন, মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক আরো গভীর করার লক্ষ্যে প্রস্তাবটি দেন। তবে সদস্যদেশগুলোর অনুমোদন ছাড়া প্রস্তাব কার্যকর হবে না।
ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, প্রস্তাবটি নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। একজন কূটনীতিক বলেন, ‘এর অর্থ কী, তা কেউ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন না’। আরেকজন কূটনীতিক প্রস্তাবটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে অভিহিত করেন এবং জানান, সদস্যদেশগুলোর সাথে আগে কোনো আলোচনা হয়নি।
"আমাদের প্রেসিডেন্ট গতকাল যেমনটি স্পষ্ট করেছেন, কানাডার সাথে অংশীদারত্ব জোরদারের প্রস্তাব অন্য কারো বিরুদ্ধে নয়। বরং এটি আমাদের সম্মিলিত শক্তি বাড়ানোর জন্য।"
— ওলোফ গিল, ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, কানাডা, উত্তর ক্যারোলিনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, উরসুলা ফন ডার লেয়েন, মার্ক কার্নিও, বেঞ্জামিন হাদাদ, ওলোফ গিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ৩ টা (বিকেল), ৯ টা (সকাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!