📌 যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেবেনা। ওমানের বৈঠকে হুথিরা মার্কিন জাহাজে হামলার প্রতিশ্রুতি দিলেও সৌদি জাহাজকে লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মক্কায় ড্রোন হামলার দাবি সৌদি প্রত্যাখ্যান করেছে
যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সরাসরি সামরিক সহায়তা প্রদান করবেনা। ওমানের রাজধানী মাসকাটে হুথি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর এবং লোহিত সাগরে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক জাহাজে হামলার পরিকল্পনা নেই। তবে সৌদি সংশ্লিষ্ট জাহাজকে তারা লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র সৌদিকে হুথি বিরোধী সামরিক সহায়তা বন্ধ ঘোষণা করেছে; ওমানের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়
- 📌 হুথিরা ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সৌদি জাহাজকে লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে
- 📌 মক্কায় ড্রোন হামলার দাবি সৌদি প্রত্যাখ্যান করেছে; হুথি বলেছে, এটিই ‘শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’
- 📌 লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে; তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে
- 📌 পাকিস্তান ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক জোট গঠনের চাপ সৌদি আরবের ওপর বেড়েছে
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সরাসরি সামরিক সহায়তা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওমানের মাসকাটে হুথি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছে যে, ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে এবং লোহিত সাগরে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক জাহাজে হামলার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে সৌদি সংশ্লিষ্ট জাহাজকে তারা লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে।
এই বৈঠকটি ব্যাখ্যা করছে কেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল ধরে হুথিদের অগ্রযাত্রার নিন্দা করেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, এটি বাব আল-মান্দাব প্রণালীর মধ্য দিয়ে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। তবে এখন পর্যন্ত রিয়াদকে সামরিক সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
হুথিদের সমর্থনকারী ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়িয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের মার্চে হুথিকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরানের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছে।
সৌদি আরবের ওপর চাপ বেড়েছে। এখন তাদের হয় ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে হুথিদের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে হবে, অথবা পাকিস্তান ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক জোট গঠনের চেষ্টা করতে হবে। গত সপ্তাহে হুথিরা লোহিত সাগর উপকূলবর্তী পশ্চিম ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়।
মক্কায় হুথি ড্রোন হামলার দাবি সৌদি প্রত্যাখ্যান করেছে। সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ড্রোনটি প্রতিহত করেছে। সৌদি আরব বলেছে, মক্কায় যেকোনো হামলা তাদের জন্য ‘রেড লাইন’। এই ঘটনায় জাতিসংঘ-স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এবং ৫৭ দেশের সংগঠন ওআইসি নিন্দা জানিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও মক্কায় কথিত হামলার নিন্দা করেছেন এবং বলেছেন, “এই ভয়াবহ ঘটনায় পাকিস্তানের জনগণ দুঃখিত ও উদ্বিগ্ন।”
"হুথিরা মার্কিন প্রশাসনকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে লোহিত সাগরে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তবে একমাত্র ঝুঁকি সৌদি জাহাজ বা সৌদি তেল বহনকারী জাহাজের জন্য।"
"জঘন্য ও ভয়ংকর"
"এই ভয়াবহ ঘটনায় পাকিস্তানের জনগণ দুঃখিত ও উদ্বিগ্ন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওমান (মাসকাট), ইয়েমেন (পশ্চিম উপকূল, মক্কা), লোহিত সাগর, হরমুজ প্রণালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুথি নেতারা, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ ডলার (তেলের দাম), ৫৭ দেশ (ওআইসি), ৬টা ৫০ মিনিট (ড্রোন হামলা প্রতিহত সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!