📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডোনাল্ড ট্রাম্প: নিজের নাম ছাড়া কিছুই স্থায়ী হবে না, তাই সবকিছুতে নিজের ছাপ রাখছেন

ডোনাল্ড ট্রাম্প: নিজের নাম ছাড়া কিছুই স্থায়ী হবে না, তাই সবকিছুতে নিজের ছাপ রাখছেন

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, তিনি নিজের নাম যুক্ত করে বিভিন্ন স্থাপনা, প্রকল্প ও নীতিতে নিজের উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি চলে গেলে কেউ আর এসব করবে না’। হোয়াইট হাউসের পূর্ব উইংয়ে সোনালি বলরুম নির্মাণের মতো বিতর্কিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রাম্পের নাম যুক্ত করা

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার স্থায়ী করতে বিভিন্ন স্থাপনা, প্রকল্প ও নীতিতে নিজের নাম যুক্ত করছেন। তিনি মনে করেন, তার পদত্যাগের পর আর কেউ এসব কাজ করবে না। নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের সাংবাদিক বেন টেরিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন কথা বলেন। ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের মন্তব্য অনুযায়ী, ট্রাম্প নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন, কারণ অন্য কেউ তার জন্য তা করবে না। ট্রাম্পের এই দাবি পূর্ণাঙ্গ হয়ে উঠছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, তিনি নিজের নাম যুক্ত করে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকল্পে নিজের উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছেন — কারণ তার পদত্যাগের পর আর কেউ তা করবে না বলে মনে করেন
  • 📌 ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের পূর্ব উইংয়ে ৯০ হাজার বর্গফুটের সোনালি বলরুম নির্মাণের পরিকল্পনা — ভবনটিতে পারমাণবিক হামলা প্রতিরোধী উপকরণ ব্যবহার করার কথা বলেছেন ট্রাম্প
  • 📌 কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প সেন্টার’ করার পরিকল্পনা, লিংকন মেমোরিয়ালের সংস্কার ও ফ্রান্সের আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফের আদলে একটি বিশাল স্থাপনা নির্মাণের কথা বলেছেন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের টাকশাল ‘ট্রাম্প এক ডলার’ মুদ্রা প্রচলন করেছে, পররাষ্ট্র দপ্তর ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ চালু করেছে — উভয়েই ট্রাম্পের ছবি যুক্ত
  • 📌 ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’, ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ এবং ‘ট্রাম্প-ক্লাস’ যুদ্ধজাহাজের মতো নীতিগত নামকরণের মাধ্যমে নিজের প্রভাব বিস্তার করছেন
  • 📌 সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে হোয়াইট হাউসের পূর্ব উইং সংস্কার প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে, তবে সংরক্ষণবাদীরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার স্থায়ী করতে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকল্পে নিজের নাম যুক্ত করছেন। তিনি মনে করেন, তার পদত্যাগের পর আর কেউ এসব কাজ করবে না। নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের সাংবাদিক বেন টেরিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি চলে গেলে কেউ এটা করবে না। আমি এখান থেকে চলে যাওয়ার পর কেউ করবে না’।

ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে একের পর এক নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলছে। এসব প্রকল্পের কিছুতে সরাসরি তার নাম যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা তার ব্যক্তিগত পছন্দ ও নকশার ছাপের কারণে সমালোচনা করছেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসি পুনর্গঠনের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে একাধিক মামলা চলছে। এর মধ্যে কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প সেন্টার’ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক গলফ কোর্স সংস্কার এবং লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কার করার কথা বলেছেন তিনি।

ফ্রান্সের প্যারিসের আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফের আদলে একটি বিশাল স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের। এছাড়া বিভিন্ন ফেডারেল ভবনে টাঙানো বিশাল ব্যানারে তার ছবি দেখা যাচ্ছে। বিচার বিভাগের সদর দপ্তরও এর মধ্যে রয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ নামে একটি স্মারক পাসপোর্ট চালু করেছে, যাতে সংবিধানের সামনে তার ছবি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টাকশালও তার মুখাবয়ব সংবলিত একটি স্মারক এক ডলারের মুদ্রা প্রচলন করেছে।

শুধু স্থাপনা নয়, নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির সঙ্গেও ট্রাম্পের নাম যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ এবং ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’। এক মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের দ্রুত সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই গোল্ড কার্ডে। এছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘ট্রাম্প-ক্লাস’ যুদ্ধজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা করছে এবং ‘ইউএসএস ডোনাল্ড জে ট্রাম্প’ নামের একটি বিমানবাহী রণতরীর কথাও বলা হয়েছে।

ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্পগুলোর একটি হলো হোয়াইট হাউসের পূর্ব উইংয়ের জায়গায় বিশাল একটি বলরুম নির্মাণ। প্রকল্পটির জন্য পূর্ব উইংয়ের পুরোনো ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের এই স্থাপনার মধ্যে থাকবে বিলাসবহুল বলরুম। এর সঙ্গে একটি সামরিক কমপ্লেক্স, ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার এবং ছাদে ড্রোন পরিচালনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত নকশায় অভ্যন্তরে সোনালি মার্বেল, ঝাড়বাতি ও অন্যান্য সোনালি অলংকরণের পাশাপাশি ভবনের বাইরেও সোনালি আবরণের পরিকল্পনা দেখা গেছে।

ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভবনটির সঙ্গে তার নাম যুক্ত করা হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হওয়া উচিত। জানি না হবে কি না, তবে হওয়া উচিত’। প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনকে বলেন, ট্রাম্প তার বর্তমান মেয়াদেই প্রকল্পটি শেষ করতে চাইছেন। কারণ ভবনটি একবার তৈরি হয়ে গেলে পরবর্তী কোনো সরকার সহজে এটি সরিয়ে ফেলতে পারবে না। প্রকল্পটি নিয়ে আদালতে আইনি লড়াই চলছে। সংরক্ষণবাদীরা ঐতিহাসিক স্থাপনার পরিবর্তন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

“আমি চলে গেলে কেউ এটা করবে না। আমি এখান থেকে চলে যাওয়ার পর কেউ করবে না”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেন টেরিস, জন অসফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ হাজার বর্গফুট (বলরুমের আকার), ৮০ বছর (ট্রাম্পের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖