📌 বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ঘোষণা করেছেন নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু পাঁচ বছর ধরে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুতির অভাবের কথা উঠে এসেছে
বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষা পাঁচ বছর ধরে চলছে। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ঘোষণা সত্ত্বেও, টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আইসিসি ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তামিম ইকবাল ঘোষণা করেছেন নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু পাঁচ বছর ধরে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
- 📌 ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পরও কোনো টেস্ট ক্রিকেট আয়োজন করা হয়নি।
- 📌 ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো তিন দিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু এরপর প্রায় দুই বছর ধরে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট বন্ধ রয়েছে।
- 📌 রুমানা আহমেদ বলেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য হলো স্বপ্ন, কিন্তু আমাদের খেলার সুযোগ হয়নি। পাঁচ বছর পরও কোনো প্রস্তুতি নেই।’
- 📌 সাজ্জাদ আহমেদ উল্লেখ করেছেন, টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে হবে, কিন্তু বর্তমানে সেই প্রস্তুতি নেই।
- 📌 ২০২৮ সালের মধ্যে নারী টেস্ট ক্রিকেটের পরিকল্পনা রয়েছে, কিন্তু ঘরোয়া টুর্নামেন্টের অভাবের কারণে প্রস্তুতি পথে বাধা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষা পাঁচ বছর ধরে চলছে। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ঘোষণা সত্ত্বেও, টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আইসিসি ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি।
২০২১ সালের এপ্রিলে আইসিসি সকল পূর্ণ সদস্য দেশকে টেস্ট মর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পরও কোনো টেস্ট ক্রিকেট আয়োজন করা হয়নি। পাঁচ বছরে মাত্র দুটি দীর্ঘ পরিসরের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত উইমেন্স বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে তিন দিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এরপর প্রায় দুই বছর ধরে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট বন্ধ রয়েছে।
সাবেক অধিনায়ক রুমানা আহমেদ বলেছেন, ‘ক্রিকেটের সৌন্দর্য হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেট, যেকোনো ক্রিকেটারের জন্যই তা স্বপ্নের। কিন্তু আমাদের খেলার সৌভাগ্য হয়নি। পাঁচ বছর আগে টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত এটা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা দেখি না। এটা তো কষ্টের জায়গা বটেই, মর্যাদা পাওয়ার এত দিন পরও কোনো প্রস্তুতিই নেই।’
নারী দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ বলেছেন, ‘তৈরি কিংবা তৈরি নয়, কোনোটাই বলার সুযোগ নেই। টেস্ট ক্রিকেট কিন্তু বাকি দুটি সংস্করণের থেকে একেবারেই আলাদা। এখানে একটা ঘণ্টায় সবকিছু বদলে যেতে পারে। সব কটি সেশন হেরেও এক–দুইটা সেশনে আপনি ম্যাচ জিতে যেতে পারেন। সেশন বাই সেশনের এসব হিসাব–নিকাশের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে বুঝতে হবে। এখানে একটু ঘাটতি আছে আমাদের।’
“নারী উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম বলছেন, ‘আমরা চাইছি যত বেশি সম্ভব ম্যাচ আয়োজন করতে। নারী বিসিএলটা যখন আবার হবে, তখন সেটাতে ম্যাচও বেশি থাকবে আগের চেয়ে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তামিম ইকবাল, রুমানা আহমেদ, সাজ্জাদ আহমেদ, রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২১, ২০২৩, ২০২৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!