📌 ভারতের দিল্লিতে আগামী রোববার রামলীলা ময়দানে কংগ্রেসের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু কনট প্লেস থেকে মিছিল করে যাওয়ার অনুমতি পুলিশ দিবে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাহুল গান্ধী মিছিলের ঘোষণা দিলেও পুলিশকে পূর্বে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আগামী রোববার (১ নভেম্বর) রামলীলা ময়দানে কংগ্রেসের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু কনট প্লেস থেকে মিছিল করে ময়দানে যাওয়ার বিষয়ে পুলিশের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন চিহ্ন উঠেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে ঘোষণা দেন যে, দুপুর ১২টায় মিন্টো রোড-কনট প্লেস সংযোগস্থল থেকে মিছিল শুরু হবে এবং সবাই একসঙ্গে রামলীলা ময়দানে যাবেন। তবে পুলিশকে আগে থেকে এই পরিকল্পনা জানানো হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাহুল গান্ধী ঘোষণা দেন: ১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় কনট প্লেস থেকে মিছিল করে রামলীলা ময়দানে যাবেন কংগ্রেস নেতারা।
- 📌 দিল্লি পুলিশ জানায়: সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও মিছিলের কোনো পূর্বানুমতি চাওয়া হয়নি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- 📌 বিজেপি মনে করে, বিরোধীরা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিরোধীরা সরকারের দুর্নাম করছে।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দেন, কিন্তু বিরোধী দলের নেতারা এতে রাজি না হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
- 📌 কংগ্রেস ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সমাবেশ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। বিজেপি শেষ চেষ্টা হিসেবে ব্যবসায়ী সংগঠনকে যোগদান করতে অনুরোধ করেছিল।
📰 বিস্তারিত
দিল্লি পুলিশের কর্তারা জানিয়েছেন, রামলীলা ময়দানের সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল এবং তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মিছিলের কোনো পূর্বানুমতি চাওয়া হয়নি। রাহুল গান্ধী শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে ভিডিও বার্তা দেন, যেখানে তিনি বলেন, ‘১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় মিছিল শুরু হবে। মিন্টো রোড ও কনট প্লেস জংশন থেকে মিছিল শুরু হবে। রামলীলা ময়দান পর্যন্ত আমরা সবাই একসঙ্গে যাব।’ এই ঘোষণা পুলিশের চিন্তা বাড়িয়েছে। কারণ মিছিলের কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা অনুমতি পুলিশকে জানানো হয়নি।
রামলীলা ময়দানের সমাবেশকে আগেই সমর্থন জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দিপক। সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন আইসারের নেত্রী নেহা বোরাওও শুক্রবার সমাবেশকে সমর্থন জানান। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অনুষ্ঠানে আগেও যোগ দিয়েছিলেন। রোববারও রামলীলা ময়দানে তিনি উপস্থিত থাকবেন।
বিজেপি নেতৃত্বের বিরোধী এই আন্দোলনকে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা বলে মনে করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটে এক জনসভায় বলেন, ইসরায়েল-ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগে বিরোধীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তিনি আরও বলেন, তিনি যুদ্ধের প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর না পড়তে চেষ্টা করছেন, কিন্তু বিরোধীরা সরকারের দুর্নাম করছে এবং মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌয়ে একদলীয় কর্মসূচিতে বলেন, বিরোধীরা সংসদে মুখোমুখি আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকলেও, তারা আসবেন না। তিনি রাহুল গান্ধী ও সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে চ্যালেঞ্জ জানান, সংসদে আসে অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করতে। তিনি বলেন, ‘তাঁরা গণতান্ত্রিক আলোচনায় আগ্রহী নন, রাস্তায় নাটক করতে চান।’
বিরোধী দলের দাবি, সরকার ১২ বছরে সংসদে কোনো মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়নি। তারা বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে তোলা কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চায়নি। রামলীলা ময়দানের সমাবেশের জন্য বিজেপি শেষ চেষ্টা হিসেবে ব্যবসায়ী সংগঠনকে যোগদান করতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু কংগ্রেস ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সমাবেশ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে।
"১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় মিছিল শুরু হবে। মিন্টো রোড ও কনট প্লেস জংশন থেকে মিছিল শুরু হবে। রামলীলা ময়দান পর্যন্ত আমরা সবাই একসঙ্গে যাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, নেহা বোরাও, অভিজিৎ দিপক, অখিলেশ যাদব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর, দুপুর ১২টা, ১০ নভেম্বর, ১২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!