📌 ইতালিতে শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটে দেশজুড়ে বিক্ষোভ। সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েন। পুলিশের জলকামান ও ব্যারিকেডের মুখে আটজন আটক হয়। ফ্রান্স, স্পেন ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশেও বিক্ষোভ চলছে
ইতালিতে শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটে দেশজুড়ে বিক্ষোভের তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবা দুর্বলতা এবং সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছেন। বিক্ষোভের প্রধান সংগঠক ইউনিয়ন অব বেসিক ট্রেড ইউনিয়নস (সিনদাকালে দি বাসে) ৪০টিরও বেশি শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। গতকাল শুক্রবার বিক্ষোভের সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জলকামান ব্যবহার করা হয় এবং আটজন বিক্ষোভকারী আটক হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট: শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ইতালিজুড়ে ধর্মঘট চলছে, যা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হয়েছে।
- 📌 ৪০টি শহরে বিক্ষোভ: সিনদাকালে দি বাসে ইউনিয়ন ৪০টিরও বেশি শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যেখানে শিক্ষার্থী ও শ্রমিকরা অংশ নিচ্ছেন।
- 📌 পুলিশের জলকামান ও আটক: তুরিনে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে চেষ্টা করে। রোমে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টায় আটজন বিক্ষোভকারী আটক হন।
- 📌 বন্দরে বিক্ষোভ: জেনোয়া বন্দরে প্রায় ১৫ হাজার বন্দরশ্রমিক, শিক্ষার্থী ও বিক্ষোভকারী জড়ো হন এবং অস্ত্র রপ্তানির বিরোধিতা করেন।
- 📌 ইউরোপব্যাপী বিক্ষোভ: ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াতেও সাম্প্রতিক সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে।
📰 বিস্তারিত
গতকাল শুক্রবার ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর তুরিনে কেন্দ্রীয় সরকারের স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরের সামনে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনীর দিকে এগিয়ে যান। পুলিশের জলকামান ব্যবহার করে তাদের ঠেকাতে চেষ্টা করা হয়। বিক্ষোভকারীরা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার দুর্বলতা এবং সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল বের করেন।
রোমের কলোসিয়ামের কাছে বিক্ষোভকারীরা তাঁবু খাটিয়ে পুরো সপ্তাহান্ত অবস্থান করার ঘোষণা দেন। সন্ধ্যায় বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টায় আটজনকে আটক করা হয়। মিলানে বিক্ষোভকারীরা শহরের রিং রোডে মিছিল করেন এবং পরে পলিটেকনিকো দি মিলানো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় তারা হাতে মশাল নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেনোয়া বন্দরে প্রায় ১৫ হাজার বন্দরশ্রমিক, শিক্ষার্থী ও বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তারা ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চলা বিক্ষোভের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অস্ত্র রপ্তানির বিরোধিতা করেন। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে কৃষ্ণসাগর পর্যন্ত বিভিন্ন সংঘাতে নাবিকদের প্রাণহানির বিষয়টিও তারা তুলে ধরেন।
"জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় নেমেছি। সরকারকে জনগণের অসন্তোষের প্রতি সাড়া দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালির ৪০টি শহর (তুরিন, রোম, মিলান, জেনোয়া বন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী, শ্রমিক, বন্দরশ্রমিক, পুলিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (ধর্মঘট), ৪০টি (শহর), ১৫ হাজার (বন্দরশ্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!