📌 ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র অধিগ্রহণের দাবির প্রেক্ষিতে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করতে প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৈন্য মোতায়েন করেছে। আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৈন্য মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোপেনহেগেন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৈন্য মোতায়েন করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আর্কটিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে শত শত কোটি ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
- 📌 সৈন্যরা চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় যুদ্ধ ও টিকে থাকার প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছে
- 📌 এই প্রশিক্ষণ ন্যাটোর ‘আর্কটিক সেন্ট্রি’ মিশনের অন্তর্ভুক্ত
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর রয়টার্স সূত্রে জানা যায়, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৈন্য মোতায়েন করেছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোপেনহেগেন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড শুরু থেকেই ট্রাম্পের সেই প্রস্তাব দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
ডেনমার্কের নতুন ও বর্ধিত বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা কর্মসূচির প্রথম ব্যাচের অংশ হিসেবে এই সৈন্যরা গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কোপেনহেগেন আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার পাশাপাশি বিরূপ ভূখণ্ড ও জলবায়ুতে সৈন্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চায়।
এ বিষয়ে ১৯ বছর বয়সী সৈন্য ডেভিড বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমাদের উপস্থিতি জানান দেওয়া হয় যে আমরা এখানে আছি। আমরা কেবল নিজেদের স্বার্থ নয়, গ্রিনল্যান্ডের মানুষের কথাও ভাবছি।’
পূর্বে এই অঞ্চলে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের কথা স্বীকার করে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আর্কটিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে শত শত কোটি ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বর্তমানে সৈন্যরা চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় যুদ্ধ ও টিকে থাকার জন্য ‘আর্কটিক অ্যান্ডুরেন্স’ নামক সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। ন্যাড়া পাথর আর গাছপালাহীন খোলা প্রান্তরে তাদের কঠোর প্রশিক্ষণ চলছে।
সৈন্যদের কম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন লরা জেপসেন জানান, বিশাল কৌশলগত যোগাযোগের অংশ হিসেবে তাদের মূল লক্ষ্য হলো বিরূপ ভূখণ্ড ও জলবায়ুতে সৈন্যদের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করা। এই প্রশিক্ষণটি ন্যাটোর ‘আর্কটিক সেন্ট্রি’ মিশনের অন্তর্ভুক্ত, যা ট্রাম্পের মন্তব্যের পর জোটটির আর্কটিক উপস্থিতি বাড়াতে এবং নিজেদের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমিত করতে এ বছর শুরু হয়েছে।
"এর মাধ্যমে আমাদের উপস্থিতি জানান দেওয়া হয় যে আমরা এখানে আছি। আমরা কেবল নিজেদের স্বার্থ নয়, গ্রিনল্যান্ডের মানুষের কথাও ভাবছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড, ডেনমার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেভিড (১৯ বছর), ক্যাপ্টেন লরা জেপসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর, ২২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!