📌 চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে থাকুক না কেন, চীন সব দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে
চীন বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো দল সরকারে থাকুক না কেন, চীন সব দলের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতি আগ্রহী। তিনি বলেন, এই সম্পর্কের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লিউ হাইশিং বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে থাকুক না কেন, চীন সব দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।
- 📌 বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে।
- 📌 চীনা মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তিস্তা নদী পুনরুদ্ধার ও মোংলা বন্দর শিল্প পার্ক প্রকল্পের অগ্রগতি দুই দেশের জনগণের জন্য সুফল আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 ৪ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ রাজনৈতিক দল প্লাস’ বৈঠকে লিউ হাইশিং এই কথা বলেন।
- 📌 নতুন উদ্বোধিত বাংলাদেশ-চীন পার্টি অ্যান্ড স্টেট গভর্ন্যান্স স্টাডিজ সেন্টার দুই দেশের শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং ৪ নভেম্বর ঢাকায় ‘চীন-বাংলাদেশ রাজনৈতিক দল প্লাস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক এবং বাংলাদেশ-চীন পার্টি অ্যান্ড স্টেট গভর্ন্যান্স স্টাডিজ সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে থাকুক না কেন, চীন সব দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। এই সম্পর্কের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে পারে।
লিউ হাইশিং উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সড়ক, সেতু ও টানেলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা নদী পুনরুদ্ধার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এবং মোংলা বন্দর শিল্প পার্ক প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি দুই দেশের জনগণের জন্য সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। লিউ হাইশিং বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ আরও এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দল, সরকার, ব্যবসায়ী, গবেষক, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
নতুন উদ্বোধিত বাংলাদেশ-চীন পার্টি অ্যান্ড স্টেট গভর্ন্যান্স স্টাডিজ সেন্টার দুই দেশের শাসনব্যবস্থা, নীতি ও উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে নতুন যুগের অগ্রগতির শক্তিতে পরিণত করতে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
"বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দল সরকারে আছে—তা বিবেচনায় না নিয়ে সব প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী চীন। দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিউ হাইশিং (চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার (বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য), ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার (পাঁচ দশক আগের বাণিজ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!