📌 বুলগেরিয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করছে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা ও প্রাক্তন মন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভের মধ্যে দ্বন্দ্বের সাথে ব্ল্যাক সীতে ড্রোন হামলার প্রভাবও নির্বাচনে প্রভাব ফেলছে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসারিত প্রভাবের মাঝে বুলগেরিয়া ব্ল্যাক সীতে ড্রোন হামলার সন্দেহে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করছে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা (৬১) এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ (৫০) সর্বাধিক ভোট পেয়েছেন। বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি পদ মূলত সাংবিধানিক হলেও, এই পদে নির্বাচিত ব্যক্তি সামরিক বাহিনী নেতৃত্ব দিতে পারেন, আইন প্রণয়নে ভেটো দিতে পারেন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বুলগেরিয়ার ব্ল্যাক সীতে ড্রোন হামলায় সম্ভবত ২৪ জন আন্তর্জাতিক নাবিক নিহত — এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সমালোচনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব নির্বাচনে প্রভাব ফেলছে
- 📌 বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা (৬১) ৪১% ভোট পেয়েছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ (৫০) ২৮% ভোট পেয়েছেন — কোনো প্রার্থী প্রথম পর্বে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি
- 📌 গিউরভ ন্যাটো ও ইউক্রেনের পক্ষে অবস্থান করছেন, ইওতোভা রাশিয়ার সাথে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দাবি করছেন — উভয় প্রার্থীই ড্রোন হামলাকে রাশিয়ার সুবিধাজনক বলে মনে করেন
- 📌 নির্বাচনের পরের পর্বে ৫০% ভোটার অংশগ্রহণের প্রয়োজন — বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী ভোটার অংশগ্রহণ ৪০% এর কম থাকায় দ্বিতীয় পর্বের সম্ভাবনা বেশি
📰 বিস্তারিত
বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি পদ মূলত সাংবিধানিক হলেও, এই পদে নির্বাচিত ব্যক্তি সামরিক বাহিনী নেতৃত্ব দিতে পারেন, আইন প্রণয়নে ভেটো দিতে পারেন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ বলেছেন, ড্রোন হামলার ফলাফল "রাশিয়া ফেডারেশনের সুবিধাজনক"। তবে সরকার রাশিয়াকে সরাসরি দোষারোপ করেননি। বুলগেরিয়া ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি, রাশিয়ার সাথে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে দেশটিতে প্ররাশিয়ান মতামতও প্রচলিত রয়েছে।
প্রধান প্রার্থী দুজনই ড্রোন হামলাকে নিন্দা করেছেন, কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে তাদের অবস্থান ভিন্ন। গিউরভ, যিনি এই বছর মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, পশ্চিমা ও সংস্কারমূলক দলসমূহের সমর্থন পাচ্ছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে ইউক্রেনের পক্ষে অবস্থান করছেন। তিনি কিয়েভের সাথে একটি নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। গিউরভ বলেছেন, “আমি চাই বুলগেরিয়া ইউরোপে নিজস্ব একটি ভয়েস রাখুক, একটি নির্ভরযোগ্য ন্যাটো সহযোগী যা প্রস্তুতি, শক্তিশালী দূতাবাস ও স্পষ্ট অবস্থানের মাধ্যমে নিজের স্বার্থ রক্ষা করে।”
অপরদিকে, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা, যিনি জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী রাদেভের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, রাদেভের সমর্থন পাচ্ছেন। উভয়েই যুদ্ধের নিরাপদ সমাধানের জন্য দাবি করছেন। ইওতোভা বলেছেন, “আমার প্রতিদ্বন্দ্বীগণ বলেন যে অবশ্যই অবসাদ যুদ্ধ হতে হবে। সত্য হল, আমরা সবাই সবচেয়ে বেশি ক্লান্ত।” বুলগেরিয়ার সংসদে পশ্চিমা পথের প্রতি সম্মতির একটি সাধারণ ধারা রয়েছে, তবে রাশিয়ার সাথে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কারণে দেশটিতে প্ররাশিয়ান মতামতও প্রচলিত রয়েছে।
বুলগেরিয়ার বাজার লিঙ্কস পোলিং এজেন্সির পরিচালক ডব্রোমির জিভকভ বলেছেন, ইওতোভা রাশিয়ার সাথে নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়ার পক্ষে কথা বলছেন। তিনি বলেন, “তারা বলেন বুলগেরিয়া ইউক্রেনের জন্য সাহায্য বন্ধ করে দিতে এবং ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে; আমরা প্রায়ই তাদের রাশিয়ার প্রোপাগান্ডা থেকে সরাসরি শব্দ ও শব্দাংশ শুনতে পাই।”
বুলগেরিয়ার ৬.৬ মিলিয়ন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে শনিবার সকাল ৭ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ভোটিং চলবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী ভোটার অংশগ্রহণ ৪০% এর কম থাকায়, কোনো প্রার্থী প্রথম পর্বেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন না। ফলে সম্ভাব্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য ৫০% ভোটার অংশগ্রহণের প্রয়োজন হবে।
"বেনিফিটস দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন"
"আই ওয়ান্ট বুলগেরিয়া টু হ্যাভ এ ভয়েস অফ আউন ইন ইউরোপ, এ রিলায়েবল ন্যাটো অ্যালাই থেট ডিফেন্ডস ইটস ইন্টারেস্টস থ্রু প্রিপেয়ার্ডনেস, স্ট্রং ডিপ্লোমেসি অ্যান্ড এ ক্লিয়ার পজিশন"
"মাই অপোনেন্টস আর্জু থেট দ্যার মাস্ট বিএ আ ওয়ার অফ অ্যাট্রিশন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুলগেরিয়া, ব্ল্যাক সী, ইউক্রেন, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি ইলিয়ানা ইওতোভা, প্রাক্তন মন্ত্রী অ্যান্ড্রে গিউরভ, প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ, ডব্রোমির জিভকভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ জন প্রার্থী, ৪১% ভোট ইওতোভা, ২৮% ভোট গিউরভ, ৬.৬ মিলিয়ন নিবন্ধিত ভোটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!