📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানে সম্ভাব্য হামলা: ট্রাম্পের নতুন হুমকি ও তেহরানের প্রতিক্রিয়া

ইরানে সম্ভাব্য হামলা: ট্রাম্পের নতুন হুমকি ও তেহরানের প্রতিক্রিয়া

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন হামলার সম্ভাবনা উন্মোচন করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আজই হামলা চালাতে পারে, তবে ইরানও চুক্তিতে রাজি হতে পারে। তেহরান হুমকি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নেই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আজই (২৫ অক্টোবর) রোববার ইরানে নতুন হামলা চালাতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও খোলা রেখেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আজই ইরানে হামলা চালাতে পারে।
  • 📌 তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘আরেকটি ছোট্ট “এপিক ফিউরি” অভিযান’ চালানোর সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুমকি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নেই।
  • 📌 তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম বারাক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই সপ্তাহান্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে।
  • 📌 ইরান-ইসরায়েল বিরোধের মূল কারণ হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচল নিয়ে মতপার্থক্য।

📰 বিস্তারিত

ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছি, আর হয়তো আগামীকালই (আজ রোববার)।’ সম্ভাব্য সামরিক অভিযান কবে চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এসব কথা বলেন। তবে ওয়াশিংটন ইরানে হামলা চালাবে কি না, কিংবা চালালে ঠিক কখন চালাবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে রাজি হননি ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে তাঁকে হয়তো ‘এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে’ হতে পারে। আবার ইরানও চুক্তিতে রাজি হতে পারে। তেহরান চুক্তি মেনে চলবে কি না, তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলেও জানান। তবে তাঁর দাবি, যেকোনো পরিস্থিতিতেই যুক্তরাষ্ট্রের জয় হবে। ট্রাম্প বলেন, তাঁর লক্ষ্য হলো ইরান যাতে ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

গত শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক জনসভায় ট্রাম্পের দেওয়া মন্তব্যের পর এই বক্তব্য সামনে এল। ওই জনসভায় তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘আরেকটি ছোট্ট “এপিক ফিউরি” অভিযান’ চালাতে পারে। ‘এপিক ফিউরি’ হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই অভিযান শুরু হয়েছিল।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শনিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে সীমিত পরিসরে সামরিক অভিযান চালানো হলেও তার জবাব দেওয়া হবে কয়েক গুণ বেশি শক্তি দিয়ে। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতাপূর্ণ বক্তব্যের বেশির ভাগই সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা হামলার হুমকি দিচ্ছে, তাদের কার্যকর সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা নেই।

"তারা অন্য সবার চেয়ে ভালো জানে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা কার্যকর কোনো অভিযান চালাতে পারবে না এবং নিজেদের লক্ষ্যও অর্জন করতে পারবে না।"

মোহেব্বি আরও বলেন, অতীতে চালানো সামরিক অভিযানের পুনরাবৃত্তি ঘটলে তার পরিণতিও হবে পরাজয়। তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ সীমিত পরিসরে কোনো পদক্ষেপ নিলেও, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান প্রস্তুতি ও সামরিক পরিকল্পনার কারণে ইরানের জবাব হবে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী।’

সপ্তাহান্তেই ইরানে হামলা হতে পারে, বলেছিলেন তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম বারাক। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এই সপ্তাহান্তেই (পশ্চিমা বিশ্বে সপ্তাহ শেষ হয় শনিবার–রোববারে) ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরে বলেন, তাঁর দূত যে সম্ভাবনার কথা তুলেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রেসিডেন্ট দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বারাক।

শুক্রবার অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিওতে বারাককে বলতে শোনা যায়, ‘এই সপ্তাহান্তে কি হামলা হতে পারে? অবশ্যই।’ অন্যদিকে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না চালানোর যে অবস্থান ওয়াশিংটন নিয়েছিল, ট্রাম্প সেই অবস্থান বদলেছেন কি না, তা নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন। এ সময় বারাকের মন্তব্য শুনে ট্রাম্পকে বিস্মিত মনে হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘উনি কি আমার রাষ্ট্রদূত?’ এরপর ট্রাম্প বলেন, ‘আমার ধারণা, তিনি বেশ ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তি। আচ্ছা, যদি বিষয়টি সত্যি হয়, তাহলে আমি এ সম্পর্কে কিছুই জানি না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ফ্লোরিডা, ওয়াশিংটন), ইরান (তেহরান), তুরস্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, হোসেইন মোহেব্বি, টম বারাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ৩ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖