📌 চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ব্রিকস জোটকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো বিশ্বের ৪০% জনসংখ্যা ও অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। আগামী বছর চীন ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে এবং ১৯তম সম্মেলন আয়োজন করবে
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস জোটকে নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। গত শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান। সি চিন পিং বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের বিপরীত। তাই চীন ব্রিকসের অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সাথে যৌথভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি: সি চিন পিং ব্রিকস জোটকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানান।
- 📌 ব্রিকসের ভূমিকা: ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর জনসংখ্যা বিশ্বের ৪০% এবং অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
- 📌 চীন-ভারত সম্পর্ক: সি চিন পিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বৈঠকে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে উন্নত হতে পারে।
- 📌 ব্রিকসের ভবিষ্যৎ: আগামী বছর চীন ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে এবং ১৯তম ব্রিকস সম্মেলন আয়োজন করবে।
📰 বিস্তারিত
ব্রিকস জোটটি ২০০৯ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার পাঁচটি দেশের দ্বারা গঠিত হয়েছিল। পরে এতে মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যোগ দেয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের প্রভাবাধীন বিশ্বব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সি চিন পিং ব্রিকসকে ‘গ্লোবাল সাউথের নেতৃত্বদানকারী জোট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরতার মডেল হিসেবে ব্রিকসের প্রশংসা করেছেন।
সি চিন পিং বলেন, ব্রিকসের উচিত উদ্ভাবনমূলক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্রিকসের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্য পরিবর্তন করতে পারে।
দীর্ঘ সাত বছর পর সি চিন পিংয়ের দিল্লি সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাণিজ্যিক সম্পর্কে উন্নতির কোনো স্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। ১৯৬২ সালে চীন ও ভারতের মধ্যে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। ২০২০ সালে সীমান্তে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় ও চারজন চীনা সেনা নিহত হওয়ার পর সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছিল।
"মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের পরিপন্থী। তাই শান্তি ফেরাতে চীন ব্রিকসের অন্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সি চিন পিং, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ শতাংশ (বিশ্বের জনসংখ্যা), ১৯তম (ব্রিকস সম্মেলন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!