📌 ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ফ্লাভিও বলসোনারো। যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দিচ্ছে। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে অর্থপাচার তদন্তের অংশ হিসেবে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর ফ্লাভিও বলসোনারো এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবারই এই ঘটনার খবর প্রকাশ পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাবেন তাঁর পরিবার
- 📌 ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অর্থপাচারের অভিযোগে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে
- 📌 নির্বাচনে ৪৪ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত ফ্লাভিও বলসোনারো বলেছেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা তিনি কখনো ভাবেননি
- 📌 ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলসোনারোর পদক্ষেপকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়েছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনটিকে ‘কারচুপিপূর্ণ’ বলে মনে করছেন
- 📌 ফ্লাভিও বলসোনারোর ছোট ভাই এদুয়ার্দো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবারই এই ঘটনার খবর প্রকাশ পেয়েছে। এর এক দিন আগে, অর্থাৎ সোমবার, অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট বলসোনারোকে তাঁর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বলসোনারো সোমবার বলেন, ‘দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা আমি কখনোই ভাবিনি।’ একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি ব্রাজিলেই থাকবেন এবং বিরোধী দলের নেতৃত্ব দেবেন। ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলসোনারোর পদক্ষেপকে ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। লুলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের দেশ থেকে গোপনে পালিয়ে যায়, তার নিশ্চয়ই কিছু লুকানোর আছে।’ তিনি আরও বলেন, বলসোনারো পরিবারের কাছে ব্রাজিল হলো ‘দ্বিতীয় দেশ’, আর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রথম দেশ।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রক্ষণশীল প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো ৪৪ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনটিকে আরেকটি কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন বলে মনে হচ্ছে।’ তবে ব্রাজিলের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
ফ্লাভিও বলসোনারোর ছোট ভাই এদুয়ার্দো বলসোনারো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে অবৈধভাবে তদবির করার দায়ে গত জুনে তাঁর অনুপস্থিতিতেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এদুয়ার্দো বলেছিলেন, ‘আমার ভাই যদি জিততে না পারে, তাহলে তাঁর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পক্ষে আমি।’
"দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা আমি কখনোই ভাবিনি। আমি ব্রাজিলেই থাকবেন এবং বিরোধী দলের নেতৃত্ব দেবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল, ব্রাসিলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্লাভিও বলসোনারো, লুলা দা সিলভা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, এদুয়ার্দো বলসোনারো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ লাখ (ভোটের ব্যবধান), ৮১ (লুলার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!