📌 বাংলাদেশ ও চীন শিগগিরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে সম্মত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ
বাংলাদেশ ও চীন শিগগিরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে সম্মত হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে সম্মত
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন গতি সঞ্চার
- 📌 ‘চীন অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’-এ প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এবং ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা
- 📌 তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা এবং চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফল চীন সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন গতি সঞ্চার হওয়ার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রতিমন্ত্রীকে তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে তার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি চীনের নির্বাহী উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলাফল ও অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘চীন অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দর আধুনিকীকরণের বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর এবং মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতা। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘চীন অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’-এ প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগসহ প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য আনুমানিক ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করে, যার মধ্যে রয়েছে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার বিষয়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ দ্রুত শুরু করা এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপের সূচনা। এ ছাড়া, তারা বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু করা, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করেন।
"প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘চীন-বাংলাদেশ যৌথ ভবিষ্যতের কমিউনিটি’ পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩০টি চীনা কোম্পানি, ১ লাখ কর্মসংস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!