📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর প্রত্যন্ত মরুভূমিতে অবস্থিত হর্নাডা এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ রেঞ্জে মাস্টার্স শেষ করা এক বাংলাদেশি গবেষকের এক মাসব্যাপী ফিল্ডওয়ার্ক শুরু হলো। প্রায় ৭৮৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই গবেষণা কেন্দ্রে জলবায়ু পরিবর্তন ও মরুকরণ নিয়ে কাজ করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় অবস্থানরত এক বাংলাদেশি মাস্টার্স গ্র্যাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর প্রত্যন্ত মরুভূমিতে অবস্থিত হর্নাডা এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ রেঞ্জে এক মাসব্যাপী ফিল্ডওয়ার্ক শুরু করেছেন। প্রায় ৭৮৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই গবেষণা কেন্দ্রটি উত্তর আমেরিকার চিহুয়াহুয়ান মরুভূমিতে অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর হর্নাডা এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ রেঞ্জে এক মাসব্যাপী ফিল্ডওয়ার্ক শুরু করেছেন এক বাংলাদেশি মাস্টার্স গ্র্যাজুয়েট
- 📌 প্রায় ৭৮৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই গবেষণা কেন্দ্রটি উত্তর আমেরিকার চিহুয়াহুয়ান মরুভূমিতে অবস্থিত
- 📌 গবেষণা কেন্দ্রটি মার্কিন কৃষি বিভাগ ও নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত
- 📌 গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো জলবায়ু পরিবর্তন, মরুকরণ রোধ ও চারণভূমি ব্যবস্থাপনা
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় অবস্থানরত এক বাংলাদেশি মাস্টার্স গ্র্যাজুয়েট মাস্টার্স শেষ করার পর থেকেই চাকরির সন্ধান করছেন। বিশ্বজুড়ে গবেষণা ফান্ডিংয়ে মন্দা চলছে বলে তিনি জানান। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন সময়ে তাঁর গবেষণা কাজে অংশগ্রহণের জন্য নিউ মেক্সিকোর হর্নাডা এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ রেঞ্জে যাওয়ার সুযোগ আসে। গবেষণা কেন্দ্রটির অবস্থান প্রায় সাড়ে ৫০০ কিলোমিটার দূরে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর এত দীর্ঘ বাস যাত্রা তাঁর কখনো হয়নি।
হর্নাডা এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ রেঞ্জ উত্তর আমেরিকার চিহুয়াহুয়ান মরুভূমিতে অবস্থিত। প্রায় ৭৮৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই গবেষণা কেন্দ্রটি মার্কিন কৃষি বিভাগ ও নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত। কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯১২ সালে। এখানে জলবায়ু পরিবর্তন, মরুকরণ রোধ ও চারণভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা করা হয়।
তিনি জানান, তাঁকে এক মাসের জন্য ফিল্ডে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সেটআপ ও তথ্য সংগ্রহের কাজে সহায়তা করতে হবে। তাঁর সহযোগী হিসেবে ছিলেন এলেক নামের এক পোস্ট-ডক গবেষক। যাওয়ার পথে তাঁদের অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্ন। প্রায় সাড়ে ৫০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে তাঁরা গবেষণা কেন্দ্রে পৌঁছান।
"গুগল ঘেঁটে জায়গাটি সম্পর্কে আগেই নানা রোমাঞ্চকর তথ্য জেনে নিয়েছিলাম। পাহাড়ের উপত্যকায় অবস্থিত এটি মূলত খুবই প্রত্যন্ত এক এলাকা, যা পরিবেশবিজ্ঞানীদের কাছে এক অনন্য ‘জীবন্ত পরীক্ষাগার’।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি মাস্টার্স গ্র্যাজুয়েট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!