📌 ১৯৭৯ সালে জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে সাপ নিয়ন্ত্রণে ৩০টি বাংলাদেশি বেজি আনা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতির বিপর্যয় ঘটে যায় যখন বেজিগুলো বিরল প্রাণী শিকার করতে শুরু করে। ১০ হাজারে পরিণত হওয়া বেজি নির্মূল করতে জাপানকে ব্যয় করতে হয়েছে কোটি কোটি টাকা
১৯৭৯ সালে জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে প্রায় ৩০টি বাংলাদেশি বেজি আনা হয়েছিল বিষধর হাবু সাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য। কিন্তু প্রকৃতির বিপর্যয় ঘটে যায় যখন সেই বেজিগুলো বিরল প্রাণী শিকার করতে শুরু করে। পরবর্তীতে তাদের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজারে। ফলে জাপানকে ব্যয় করতে হয়েছে কোটি কোটি টাকা তাদের নির্মূল করতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৭৯ সালে জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে প্রায় ৩০টি বাংলাদেশি বেজি আনা হয়েছিল বিষধর হাবু সাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য
- 📌 বেজিগুলো হাবু সাপের পরিবর্তে বিরল প্রাণী যেমন আমামি খরগোশ ও স্থানীয় ব্যাঙ শিকার করতে শুরু করে
- 📌 ২০০০ সালের দিকে বেজির সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজারে
- 📌 নির্মূল অভিযানে জাপানকে ব্যবহার করতে হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ ও ৩০০টির বেশি ক্যামেরা
- 📌 শেষ বেজিটি ধরা পড়ে ২০১৮ সালে
📰 বিস্তারিত
আমামি ওশিমা দ্বীপটি প্রায় ৭১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের। দ্বীপটির বনভূমিতে রয়েছে অনেক বিরল প্রাণী, যেমন আমামি খরগোশ। কিন্তু ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত দ্বীপটিতে হাবু সাপের কামড়ের ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছিল ২ হাজার ৬৭৩টি। ফলে দ্বীপটির কর্তৃপক্ষ সাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশি বেজি আনার সিদ্ধান্ত নেয়।
বেজিরা সাধারণত দিনের বেলায় সক্রিয় থাকে, কিন্তু হাবু সাপ নিশাচর হওয়ায় তাদের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল। ফলে বেজিগুলো বিরল প্রাণীদের ওপর শিকারি হিসেবে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। আমামি ওশিমার পরিবেশ ছিল বেজির বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল। ফলে ৩০টি থেকে তাদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজারে।
১৯৯০-এর দশকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বেজি ধরার উদ্যোগ নিলেও পরিস্থিতি অনেক বদলে গিয়েছিল। শুরুতে সহজে ধরা পড়লেও পরবর্তীতে বেজিগুলো হয়ে ওঠে আরও সতর্ক ও ছড়িয়ে পড়ে দুর্গম এলাকায়। নির্মূল অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছিল ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ ও ৩০০টির বেশি ক্যামেরা।
"বেজিগুলো হাবু সাপের বদলে বিরল প্রাণী শিকার করতে শুরু করে, যার ফলে দ্বীপটির পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আমামি ওশিমা দ্বীপ, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি বেজি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি, ১০ হাজার, ৭১২ বর্গকিলোমিটার, ২ হাজার ৬৭৩টি, ৩০ হাজার ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!