📌 ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরির তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনা ও হত্যাকারী প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানো হয়
প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাতে এ বার্তা দেওয়া হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের অনুরোধ: ভারত যেন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনা ও হত্যাকারী প্রত্যর্পণ করে
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত
- 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরির তাগিদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ৫ আগস্টের ঘটনা নিয়ে ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে ধরনের পরিবেশ দরকার, সেই পরিবেশ তৈরির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।’
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত করতে দিল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে। খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল সবকিছু তাদের দিয়েছি। হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যর্পণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।’
সাক্ষাতে সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এগুলো প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনার নয়। গতকাল তাঁর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
গতকাল গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি কথা বলতে দেওয়ার ঘটনার জন্য ভারত দুঃখ প্রকাশ করেছে কি না জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, ‘এখানে দুঃখ প্রকাশের ব্যাপার নয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে। ভারত সরকারকে আশা করব, তারা আমাদের রাষ্ট্রের কোনো স্তম্ভকে খাটো করার কিছু আর করবে না।’
‘৫ তারিখ হাসিনা যে কাজটা করেছেন, সেটা হলো বাংলাদেশের জুডিশিয়ারির প্রতি বিদ্বেষ ছড়িয়েছে এবং সেই কাজটি ভারত সরকার করতে দিয়েছে। আমরা আশা করব, আমাদের রাষ্ট্রের কোনো স্তম্ভকে আন্ডারমাইন করার কিছু তারা আর করবে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খলিলুর রহমান, তারেক রহমান, দীনেশ ত্রিবেদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!