📌 জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে মানবতার দায়িত্ব হিসেবে দেখে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মরক্কোর রাবাতের ফ্রাংকোফোন সম্মেলনে বলেছেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারী অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানান। ১৭৪ জন শহীদ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ঐতিহ্য তুলে ধরেন
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে মানবতার প্রতি একটি বড় নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ফ্রাংকোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে কেবল কর্তব্য নয়, বরং মানবতার প্রতি একটি দায়িত্ব হিসেবে মনে করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শান্তিরক্ষা নৈতিক দায়িত্ব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ শান্তিরক্ষাকে মানবতার প্রতি একটি বড় দায়িত্ব হিসেবে দেখে।
- 📌 নারী শান্তিরক্ষা: নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা কর্মসূচিতে গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারী অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
- 📌 প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা: শান্তিরক্ষীদের প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মিশনপূর্ব প্রশিক্ষণে জোর দেন।
- 📌 বহুপাক্ষিকতা: বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
- 📌 শহীদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা: ১৭৪ জন শহীদ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, তাদের জীবন উৎসর্গের প্রতি সম্মান জানানো দরকার।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাবাতের ফ্রাংকোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্যে বলা হয়, আধুনিক শান্তি তৎপরতার উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অপপ্রচার, ডিজিটাল হয়রানি এবং সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা দরকার। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
শামা ওবায়েদ স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত কার্যপরিধি, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ এবং সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ঐতিহ্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে এই পররাষ্ট্রনীতি আরও সুসংহত হয়েছিল। তিনি বলেন, সেই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে পথ দেখাচ্ছে।
"জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ থেকে নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি আজও বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে পথ দেখাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাবাত (মরক্কো), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন শহীদ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!