📌 বাংলাদেশ সার্ককে সক্রিয় করার লক্ষ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেকে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয়। আলোচনায় জিএমসি উন্নয়নে বাংলাদেশের আগ্রহ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রশংসা করা হয়
বাংলাদেশ সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সহযোগিতা চেয়েছে। শুক্রবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বল্পকালীন যাত্রাবিরতিকালে প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ**: বাংলাদেশ সার্ককে সক্রিয় করার লক্ষ্যে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে।
- 📌 **বিশেষ আলোচনা**: জিএমসি উন্নয়নে বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশিত হয়।
- 📌 **দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক**: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রশংসা করা হয়।
- 📌 **বৈঠক অংশগ্রহণ**: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে শেরিং তোবগে স্বাগত জানানোর সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। আলোচনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে জার্মানির উদ্দেশে যাত্রা করার আগে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও, জিএমসি উন্নয়নে বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশিত হয়, বিশেষ করে পেশাজীবী ও দক্ষ জনশক্তি জোগান দিয়ে অবদান রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রশংসা করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণে ভুটানের সহযোগিতা চাই বাংলাদেশ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, আবদুল মঈন খান, হুমায়ুন কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!