📌 বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগে নতুন সমঝোতার ফলে সাপ্তাহিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের সংখ্যা ৪৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৪টি। একই সঙ্গে কার্গো ফ্লাইটের সুযোগ বেড়েছে সপ্তাহে ২১টি। প্রবাসী বাংলাদেশি ও হজযাত্রীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুখবর
ঢাকা: বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। দুই দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ফলে সাপ্তাহিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের অনুমোদিত সংখ্যা ৪৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৪টি। একই সঙ্গে সপ্তাহে ২১টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ যুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সাপ্তাহিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের সংখ্যা ৪৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৪টি
- 📌 সপ্তাহে ২১টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ যুক্ত হয়েছে
- 📌 পঞ্চম স্বাধীনতা ট্রাফিক অধিকার, কোড-শেয়ারিং ও কো-টার্মিনালাইজেশন সুবিধা অন্তর্ভুক্ত
- 📌 উড়োজাহাজ লিজিংয়ের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে ‘Wet Lease’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে
- 📌 হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত আসনের সুযোগ তৈরি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ফলে সাপ্তাহিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের সংখ্যা ৪৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৪টি। এর ফলে সপ্তাহে আরও ৩৫টি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানান, নতুন সমঝোতার ফলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মনোনীত এয়ারলাইনগুলো প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৮৪টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে। তিনি বলেন, এর অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী হবেন বাংলাদেশের হজ ও ওমরাহযাত্রীরা। বিশেষ করে হজ মৌসুমে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ ও আসন সংকট মোকাবিলায় বাড়তি ফ্লাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, সৌদি আরবে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশিও এর সুফল পাবেন। ফ্লাইট ও আসনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রবাসীদের দেশে আসা-যাওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির ফলে যাত্রীরা আরও সাশ্রয়ী বিমানভাড়া পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
"নতুন সমঝোতার ফলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মনোনীত এয়ারলাইনগুলো প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৮৪টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ পাবে। আগে এ সংখ্যা ছিল ৪৯। অর্থাৎ সপ্তাহে আরও ৩৫টি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
নতুন সমঝোতায় ঢাকার পাশাপাশি দেশের আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর ব্যবহার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরবের মনোনীত এয়ারলাইনগুলোর চট্টগ্রাম ও সিলেটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিধি বাড়ায় রিয়াদ, দাম্মাম, মদিনা ও জেদ্দার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯, ৮৪, ২১, ৩৫, ৪০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!