📌 রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রকৃত পরিসংখ্যান নিয়ে মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে ভুল তথ্য উপস্থাপনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে বিষয়টি অবহিত করেন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে ভুল তথ্য উপস্থাপনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমান মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিবাদ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভুল তথ্য প্রচারের কারণে
- 📌 গত ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে ভুল পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে বৈঠকে মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান বিষয়টি তুলে ধরেন
- 📌 মহাপরিচালক নতুন রোহিঙ্গাদের যাচাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান
- 📌 রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে ভুল তথ্য উপস্থাপনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানান। বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে ভুল পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে জাতিসংঘ ব্যবস্থার অধীন নিবন্ধিত সংখ্যাই যে এই জনগোষ্ঠীর সঠিক তথ্য প্রতিফলিত করে, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি।
মহাপরিচালক যৌথ দ্বিপক্ষীয় কাঠামো ও নথির ভিত্তিতে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত যাচাই কার্যক্রম শেষ করতে রাষ্ট্রদূতের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে জন্ম নেয়া নতুন শিশু এবং ২০১৭ সালের পর রাখাইন রাজ্যের চলমান সহিংসতা ও সহিংস পরিস্থিতিতে জোরপূর্বক পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদেরও যাচাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন করছে। এর আগে মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার বাইরে থাকা এই অতিরিক্ত তথ্য শিগগিরই মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভাগ করে নেয়া হবে।
একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের পরিচয় সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সত্যতা মনে করিয়ে দিয়ে মহাপরিচালক পুনর্ব্যক্ত করেন, রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’ নয়। তাদের নির্দিষ্ট জাতিগত পরিচয় রয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত স্বয়ং মিয়ানমার সরকার ও কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে এসেছে।
"রোহিঙ্গাদের নিজ ভিটেমাটি রাখাইনে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের একমাত্র ও টেকসই সমাধান সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তৌফিক-উর-রহমান, ইউ কিয়াও সোয়ে মোয়ে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!