📌 বাংলাদেশ ও চীন শিগগিরই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতি আসায় উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে
বাংলাদেশ ও চীন শিগগিরই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ দ্রুত চালুর বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা করেছে। রোববার রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও চীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতি আসায় উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে
- 📌 চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশকে বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেন এবং ‘এক চীন নীতি’র প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন
- 📌 সিইআইজেড প্রকল্পে প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে, যার মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে
- 📌 তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রফতানি এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রোববার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশকে চীনের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ‘এক চীন নীতি’র প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার জন্য ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন ফলাফল সম্পর্কেও অবহিত করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। এর মধ্যে রয়েছে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে বাণিজ্যিক চুক্তি এবং মোংলা ইপিজেড প্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য চীনা সহযোগিতা। তিনি জানান, সিইআইজেড প্রকল্পে প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রফতানি, বাংলাদেশ–চীন–মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদের সফর সম্পর্কেও অবহিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নরের বাংলাদেশ সফর।
"প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতি আসায় আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক ভবিষ্যৎ অভিন্ন লক্ষ্যের বাংলাদেশ–চীন কমিউনিটি পর্যায়ে উন্নীত হওয়াকে স্বাগত জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি (চীনা কোম্পানি), ৫০ কোটি মার্কিন ডলার (বিনিয়োগ), ১ লাখ (কর্মসংস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!