📌 অস্ট্রেলিয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ প্রবর্তন করছে। পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ এবং অভিবাসন লক্ষ্যমাত্রা ২০২৮ সালের মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের ঘোষণা অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের অবকাঠামো ও সামাজিক সংহতির চাপ কমানো
অস্ট্রেলিয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ প্রবর্তন করছে। নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গী বা সন্তানকে দেশে নিয়ে আসার সুযোগ হারাতে পারেন। এছাড়াও, অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়ম আরো কঠোর করা হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়া ২০২৮ সালের মধ্যে নিট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনবে — বর্তমানে এই সংখ্যা ৩ লাখ
- 📌 বিদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গী বা সন্তানকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধ হবে
- 📌 অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়ম আরো কঠোর করা হবে
- 📌 কট্টর ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টি অভিবাসন কমিয়ে ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি করতে চায়
- 📌 ২০২৫ সালের নিট অভিবাসনের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন বিদেশি শিক্ষার্থী
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা তাদের স্বামী, স্ত্রী বা সঙ্গীকে দেশটিতে নিয়ে আসতে পারেন এবং কাজও করতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার কোর্সের ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদেরও অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
গত দুই বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের সংখ্যা কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে গত বছর নিট বিদেশি অভিবাসনের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন বিদেশি শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে অস্ট্রেলিয়ার নিট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে, এই সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার। ২০২৩ সালে নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল।
কট্টর ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টি সাম্প্রতিক জনমত জরিপে সমর্থন বাড়াচ্ছে। দলটি চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমিয়ে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি করতে চায়। দলটির প্রস্তাবিত কর্মসূচি প্রতিবছর পর্যালোচনা করা হবে। দলটির কিছু নীতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির তুলনা করা হয়েছে।
"অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের বড় ভূমিকা রয়েছে।" — অস্ট্রেলিয়ার সরকারি তথ্য
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ২৫ হাজার (২০২৮ সালের অভিবাসন লক্ষ্যমাত্রা), ৩ লাখ (বর্তমান অভিবাসন সংখ্যা), ৭ লাখ ৫০ হাজার (ওয়ান নেশন পার্টির লক্ষ্যমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!