📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিং ট্যুরে মরতে মরতে বেঁচে ফিরলাম: ভ্রমণকারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিং ট্যুরে মরতে মরতে বেঁচে ফিরলাম: ভ্রমণকারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 একজন অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিং ট্যুরে মরতে মরতে বেঁচে ফিরেছেন। ট্রলার চলাচলের সমস্যা, অন্ধকারে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে যাতায়াত এবং সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের অজ্ঞতা তাদের ভ্রমণকে একান্ত ভয়াবহ করে তুলেছে

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ট্রেকিং ডেস্টিনেশন নাফাখুম-আমিয়াখুমে যাওয়ার অভিজ্ঞতা একান্ত ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। একজন অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী জানান, সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের অজ্ঞতা, ট্রলার চলাচলের বন্ধ এবং অন্ধকারে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে যাতায়াতের কারণে তাদের ভ্রমণ মরতে মরতে বেঁচে যাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৫ জন সদস্যের একটি ট্যুর গ্রুপ সাঙ্গু নদ থেকে নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিংয়ে বের হয়, কিন্তু ট্রলার চলাচল বন্ধের কারণে ট্রেকিং শুরু হয় পথের মাঝামাঝি থেকে
  • 📌 ১২ জন সদস্যের গ্রুপের মধ্যে মাত্র ১০ জন (তাদের মধ্যে ২ জন মেয়ে) আমিয়াখুম পাহাড়ের শীর্ষে পৌঁছতে সক্ষম হন
  • 📌 ১,৯০০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট আমিয়াখুমের দেবতা পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে নামার সময় তাদের প্রাণের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়
  • 📌 ৭-৮টি পাহাড় অন্ধকারে অতিক্রম করতে হয়, যার ফলে বেশ কয়েকজন ভ্রমণকারীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ে
  • 📌 ভ্রমণকারীরা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন এবং ভবিষ্যতে ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

একজন অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ট্যুর করছেন এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান দেখেছেন। কিন্তু নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিংয়ের অভিজ্ঞতা তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, রোজার ঈদে সায়েদাবাদ থেকে বান্দরবানের বাসে উঠে পড়েন ৩৫ জন সদস্যের একটি ট্যুর গ্রুপের সাথে। বাস ছেড়ে চকরিয়া পৌঁছানোর পর, তারা আলীকদমে আরেকটি বাসে চলে যান। আলীকদম থেকে চান্দের গাড়ি করে থানচি পৌঁছানোর পর, ট্রলারে করে পদ্মঝিরি পৌঁছান। কিন্তু সেখানে তাদের জন্য একটি ভয়াবহ সংবাদ ছিল: তেলসংকটের কারণে ট্রলার আর সামনে যাবে না। ফলে, তারা পদ্মঝিরি থেকেই ট্রেকিং শুরু করতে বাধ্য হন।

বেলা ১টায় ট্রেকিং শুরু হলেও, বিকেল ৪টার পর থেকে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। একের পর এক পাহাড় বেয়ে উঠতে হয়। সন্ধ্যা নেমে গেলে তাদের বলা হয়, দোকানে বসে বিশ্রাম নিতে। কিন্তু আধা ঘণ্টা হাঁটার কথা ছিল, তা ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিলে পাড়ার দেখা মিলে না। একে তো ক্লান্ত শরীর, তার ওপর উঁচু খাড়া পাহাড়ের ঢাল। রাত নেমে গেলে টর্চ জ্বালিয়ে সবাই হাঁটছিলেন। গ্রুপের বেশ কয়েকজন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি ছিলেন, যারা আগে তেমন ট্যুর করেননি। তাদের অবস্থা খারাপ ছিল। সবাই শুধু মনের জোরে হাঁটছিলেন।

রাত প্রায় সাড়ে ১০টায় তারা পাড়ায় পৌঁছান। শরীরে আর এক বিন্দু শক্তি না থাকায়, তারা শুয়ে পড়লেন। পরদিন সকালে শরীর ব্যথা থাকলেও, মনের জোরে বের হয়ে পড়লেন আমিয়াখুমের উদ্দেশে। কিন্তু ৩৫ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র ১০ জন আমিয়াখুমের উদ্দেশে রওনা দেন। তাদের মধ্যে ২ জন মেয়ে ছিলেন। দেবতা পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে নামার সময় তাদের প্রাণের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়। দেবতা পাহাড় থেকে নেমে ভেলাখুম এবং তারপর আমিয়াখুম পৌঁছানোর পর, তাদের ভ্রমণ শেষ হলেও, তাদের অভিজ্ঞতা ছিল একান্ত ভয়াবহ।

"আমার জীবনের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ছিল এই নাফাখুম-আমিয়াখুম ট্রেকিং। আমি মরতে মরতে বেঁচে ফিরে এসেছি। ভবিষ্যতে যারা এই ট্রেকিং করবেন, তারা ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে যাবেন এবং সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাঙ্গু নদ, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী (৩৫ জন সদস্যের ট্যুর গ্রুপের সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ জন সদস্য, ১০ জন আমিয়াখুমে পৌঁছেন, ২ জন মেয়ে, ১,৯০০ ফুট উচ্চতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖