📌 ইসরায়েলের মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আরব দলসমূহের ১৯টি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা উঠে এসেছে। বুধবার পর্যন্ত ৮৪ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ও ‘রাআম’ জোটের ১৭টি আসন নিশ্চিত হয়েছে। ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে ভোটদানের হার ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১৯৯৯ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে
ইসরায়েলের মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল থেকে আরব দলগুলোর ১৯টি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা উঠে এসেছে। আল জাজিরা ও ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুথফেরত জরিপে আরব দলসমূহের ১৭টি আসনে জয় নিশ্চিত হয়েছে। ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে ভোটদানের হার ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১৯৯৯ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের ১২০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ আরব দলসমূহের ১৭টি আসনে জয় নিশ্চিত হয়েছে।
- 📌 ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ও ‘রাআম’ জোটের নেতা মনসুর আব্বাস আশা করছেন, চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১টি আসন পেয়ে জোট সরকার গঠন করা যাবে।
- 📌 বুধবার (২৬ অক্টোবর) পর্যন্ত ৮৪ শতাংশ ভোট গণনা করা হয়েছে, যেখানে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোটদানের হার ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে।
- 📌 ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত অ্যালন পিঙ্কাস বলেছেন, আরব দলগুলোর বাইরে সরকার গঠন করা সম্ভব নয়।
- 📌 নেতানিয়াহুর জোটের সমর্থকদের মধ্যে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ভোটদানের হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল থেকে জানা গেছে, আরব দলগুলোর ১৯টি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ও ‘রাআম’ জোটের নেতা মনসুর আব্বাস বলেছেন, তিনি আশা করছেন, চূড়ান্ত ফলাফলে তার দলসহ নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে। বর্তমানে রাআম দল ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ পাঁচটি আসন ধরে রেখেছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল এমন জোট সরকারেও রাআম দলের অংশগ্রহণ ছিল।
মনসুর আব্বাস আরও বলেছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে দু’টি প্রধান জোট তার দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ইসরায়েলের সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ‘ইয়াশার’ দলের জোটটি, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ দলের জোটের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। তবে, নির্বাচনি প্রচারের সময় তারা আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সাবেক রাষ্ট্রদূত অ্যালন পিঙ্কাস বলেছেন, ‘আরবদের বাইরে রাখা যাবে না’। তিনি মনে করেন, আরব দলগুলোর বাইরে সরকার গঠন করা সম্ভব নয় এবং তাদের বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নেতানিয়াহুর জোটের সমর্থকদের মধ্যে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকদের মধ্যে ভোটদানের হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জানানো হয়েছে। আরব রাজনীতিকেরা এই কৌশলকে বর্ণবাদী ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছেন।
"বর্তমানে যে সংখ্যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনো সরকারই গঠিত হতে পারবে না।"
"আরবদের বাইরে রাখা যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনসুর আব্বাস, অ্যালন পিঙ্কাস, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি আসন, ১৭টি আসন, ৮৪ শতাংশ, ৮০ শতাংশ, ৬১টি আসন, ১২০ সদস্যবিশিষ্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!