📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রাচীন পম্পেই থেকে উদ্ধার: শিশুর গলার হার ও রোমানদের ব্যক্তিগত সম্পদ

প্রাচীন পম্পেই থেকে উদ্ধার: শিশুর গলার হার ও রোমানদের ব্যক্তিগত সম্পদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাচীন রোমান শহর পম্পেই থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি কাঠের আলমারি, যেখানে ছিল শিশুর গলার হার, সুগন্ধির বোতল, ব্রোঞ্জের মুদ্রা ও রান্নার পাত্র। ৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতের সময় বাসিন্দারা কোনো প্রস্তুতি নেয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে

প্রাচীন রোমান শহর পম্পেই থেকে একটি অদ্ভুত আবিষ্কার ঘটেছে। প্রায় দুই হাজার বছর আগে মাউন্ট ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত এই শহরের ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রত্নতত্ত্ববিদরা একটি কাঠের আলমারি উদ্ধার করেছেন। আলমারির ভেতরে ছিল রোমানদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্র, যার মধ্যে ছিল শিশুর গলার হার, সুগন্ধির শিশি, ব্রোঞ্জের মুদ্রা এবং রান্নার পাত্র।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত পম্পেই থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি কাঠের আলমারি
  • 📌 আলমারিতে ছিল ৩৮টি ব্রোঞ্জের মুদ্রা, সুগন্ধির বোতল, চিমটা, ধূপদানি এবং একটি শিশুর গলার হার
  • 📌 শিশুর গলার হারে ছিল ২০টি ছোট লকেট, যা ঝুনঝুন শব্দ করে মা-বাবাকে শিশুর অবস্থান জানাতো
  • 📌 আলমারিতে রান্নার পাত্র, কাঠের বাক্স এবং একটি মাটির পাত্রে দুটি ইঁদুরের কঙ্কালও পাওয়া গেছে
  • 📌 গবেষকরা মনে করেন, বাসিন্দারা অগ্ন্যুৎপাতের আগে কোনো প্রস্তুতি নিতে পারেননি

📰 বিস্তারিত

পম্পেইয়ের ব্যস্ত রাস্তা ভিয়া ডেল’আবোন্দানজার পাশের একটি বাড়িতে এই আলমারি পাওয়া গেছে। শিলালিপির মাধ্যমে ধারণা করা হয়, বাড়িটি কর্নেলিয়াস ম্যাক্সিমাস নামের এক ব্যক্তির। ১৯১২ সাল থেকে বাড়ির সামনের অংশ খনন করা হলেও ভেতরের কক্ষগুলো এতদিন অজানা ছিল। আলমারির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রসাধনের সরঞ্জাম, কাচের সুগন্ধির বোতল, চিমটা, ধূপদানি এবং ব্রোঞ্জের একটি লন্ঠন। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল একটি শিশুর গলার হার, যা প্রাচীন রোমে ‘ক্রেপুন্ডিয়া’ নামে পরিচিত ছিল।

গবেষকদের মতে, এই হারে ছিল প্রাচীন মিসরীয় দেবতা বেস এবং রোমান দেবতা মার্কারিসহ বিভিন্ন দেবতার প্রতিকৃতিসংবলিত ২০টি ছোট লকেট। শিশুরা যখন হাঁটাচলা করত, তখন লকেটগুলো থেকে ঝুনঝুন শব্দ হতো, যা মা-বাবাকে সহজেই শিশুর অবস্থান জানাতে সাহায্য করত। এছাড়াও, সেই যুগে মানুষের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর প্রবণতা বেশি ছিল। তাই এই হার শিশুর পারিবারিক পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতো।

আলমারিতে আরও ছিল রান্নার পাত্র, ৩৮টি ব্রোঞ্জের মুদ্রা, সিসার বাটখারাসহ একটি কাঠের বাক্স। এসব জিনিসপত্র থেকে গবেষকদের ধারণা, বাড়ির বাসিন্দা সম্ভবত কোনো ব্যবসায়ী ছিলেন। টাকাপয়সা ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের এই অবস্থা থেকে বোঝা যায়, অগ্ন্যুৎপাতের সময় বাসিন্দারা কোনো প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাননি। প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত ঘর ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। এমনকি ভাঁড়ার ঘরে থাকা মাটির একটি পাত্রে দুটি ইঁদুরের কঙ্কালও পাওয়া গেছে, যা অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা সম্পর্কে ধারণা দেয়।

"আলমারির জিনিসপত্র থেকে বোঝা যায়, বাসিন্দারা অগ্ন্যুৎপাতের আগে কোনো প্রস্তুতি নিতে পারেননি। তারা দ্রুত পালাতে হয়েছিল, ফলে তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের অবস্থা এমন হয়ে পড়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পম্পেই, ইতালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্নেলিয়াস ম্যাক্সিমাস (অনুমানিক), প্রত্নতত্ত্ববিদরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২০টি লকেট, ৩৮টি ব্রোঞ্জের মুদ্রা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖