📌 হবিগঞ্জের চারটি চা-বাগানের প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক তিন সপ্তাহ ধরে মজুরি পাচ্ছেন না। বকেয়া মজুরি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণের দাবিতে রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মানববন্ধন করে শ্রমিকরা
হবিগঞ্জের দেউন্দি টি কোম্পানির আওতাধীন চারটি চা-বাগানের প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক তিন সপ্তাহ ধরে মজুরি পাচ্ছেন না। বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ জমা না হওয়ায় শ্রমিকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। রোববার (১ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে শ্রমিকরা তাদের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হবিগঞ্জের দেউন্দি, লালচান্দ, নোয়াপাড়া ও মৃত্তিকা চা-বাগানের ১৫ হাজার শ্রমিক তিন সপ্তাহ ধরে মজুরি পাচ্ছেন না
- 📌 প্রত্যেক শ্রমিকের বকেয়া পাওনা প্রায় ৪ হাজার টাকা করে, মোট বকেয়া ৬ কোটি টাকা
- 📌 ৪৭ মাসের প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ জমা দেওয়া হয়নি, শ্রমিকরা সুবিধা থেকে বঞ্চিত
- 📌 চিকিৎসাসেবা বন্ধ, ওষুধ সরবরাহের অভাবের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত
- 📌 শ্রমিক নেতারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন, কঠোর আন্দোলনের সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের দেউন্দি টি কোম্পানির চারটি চা-বাগানে কর্মরত প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক তিন সপ্তাহ ধরে মজুরি পাচ্ছেন না। শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা (এরিয়ার) প্রত্যেকের জন্য প্রায় ৪ হাজার টাকা করে, মোট বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা। এছাড়া শ্রমিকদের মজুরি থেকে কর্তন করা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ এবং মালিকপক্ষের নির্ধারিত অংশসহ মোট ৪৭ মাসের টাকা জমা দেওয়া হয়নি। ফলে শ্রমিকরা প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
শ্রমিকদের চিকিৎসাব্যবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের বাসস্থান নির্মাণ, ঘরবাড়ি মেরামত ও ঘরের ছাউনি সংস্কারের কাজও বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ চা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, ২০২২ সাল থেকে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণ হচ্ছে না। বিশেষ করে দেউন্দি টি কোম্পানির চারটি বাগানে বর্তমানে তিন সপ্তাহের মজুরি বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকরা প্রথমে নিজ নিজ বাগানে কর্মবিরতি পালন করলেও কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মানববন্ধন করে পাঁচ দফা দাবি জানান। স্মারকলিপিতে বকেয়া মজুরি পরিশোধ, প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ জমা এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণের দাবি তুলে ধরা হয়।
"২০২২ সাল থেকে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণ হচ্ছে না। এতেও সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, দেউন্দি, লালচান্দ, নোয়াপাড়া ও মৃত্তিকা চা-বাগান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নৃপেন পাল (বাংলাদেশ চা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক), শ্রমিক নেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার শ্রমিক, ৬ কোটি টাকা বকেয়া, ৪৭ মাসের প্রভিডেন্ট ফান্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!