📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুতে অবহেলা অভিযোগ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠন করে দুটি তদন্ত কমিটি

পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুতে অবহেলা অভিযোগ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠন করে দুটি তদন্ত কমিটি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ডায়াবেটিসে চিকিৎসাধীন ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর পর চিকিৎসায় অবহেলা অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে - একটি মেডিকেল নেগলিজেন্সের, অন্যটি হাসপাতালের অবকাঠামো পর্যালোচনার জন্য

পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ডায়াবেটিসে চিকিৎসাধীন ৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু সন্ধ্যায় খাবার খাওয়ানোর সময় তার শরীর নীল হয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তবে স্বজনদের দাবি, তাদেরকে শিশুটিকে দেখতে দেওয়া হয়নি এবং মৃত্যুর পর উত্তেজনা দেখা দেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী শিশু ১৩ দিন ধরে ডায়াবেটিস চিকিৎসাধীন ছিল, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল
  • 📌 মৃত্যুর পর স্বজনদের অভিযোগ: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার পর তাদেরকে দেখতে দেওয়া হয়নি
  • 📌 স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠন করেছে দুটি তদন্ত কমিটি: একটি মেডিকেল নেগলিজেন্সের, অন্যটি হাসপাতালের অবকাঠামো পর্যালোচনার জন্য
  • 📌 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, তদন্ত কমিটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের থাকবে
  • 📌 স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

📰 বিস্তারিত

গত রোববার রাত ৯টায় পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু ঘটে। শিশুটি ডায়াবেটিসজনিত সমস্যায় ১৩ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। মৃত্যুর দিন বিকেল পর্যন্ত শিশুটি স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু সন্ধ্যায় খাবার খাওয়ানোর সময় তার শরীর ধীরে ধীরে নীল হয়ে আসে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে লাইফ সাপোর্টে নেয়। স্বজনদের অভিযোগ, তাদেরকে শিশুটিকে দেখতে দেওয়া হয়নি। পরে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তারা জানায়, পরদিনই শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাগ্বিতণ্ডা দেখা দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, উত্তেজিত স্বজন ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী নষ্ট করেছেন এবং কয়েকজন নার্সকে মারধর করেছেন। স্বজনরা পাল্টা দাবি করেন, হাসপাতালের কর্মীরাই প্রথমে তাদের ওপর চড়াও হন।

"আমরা সেখানে গিয়ে দেখে এসেছি। তবে শিশুটির কোনো স্বজনকে পাইনি। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। আমরা স্বপ্রণোদিত হয়ে সেখানে গিয়েছি। দুটি তদন্ত কমিটি করা হবে। একটি কমিটি করবে মেডিকেল নেগলিজেন্সের অভিযোগের বিষয়ে এবং অন্যটি হাসপাতালের অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে। মেডিকেল নেগলিজেন্সের তদন্ত কমিটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা থাকবেন। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে দুটি কমিটি করা হবে।"

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান সোমবার দুপুরে জানান, তারা স্বপ্রণোদিতভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, মেডিকেল নেগলিজেন্সের তদন্ত কমিটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের থাকবে এবং তদন্তের কাজ আজ বা আগামীকাল শুরু হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জাহিদ রায়হান (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক), শিশুটির স্বজন, হাসপাতাল কর্মীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ মাস (শিশুর বয়স), ১৩ দিন (চিকিৎসাধীন সময়), ৯ টা (মৃত্যুর সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖