📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করা হবে। হাসপাতালের চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন ভবন নির্মাণ ও কর্মী সংকট দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালটিকে আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল**কে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
- 📌 **৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের** উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে হাসপাতালের সেবা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
- 📌 **হাসপাতালের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের** উদ্যোগ নেওয়া হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে।
- 📌 **হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত** করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 **রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত** করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শ্যামলীতে অবস্থিত টিবি হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ববি হাজ্জাজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালটিকে আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে যক্ষ্মার চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজ নেন। তিনি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। পরে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, ওষুধ সরবরাহ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর প্রতি মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। রোগীরা কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি নির্দেশ দেন।
"হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে জনবল সংকট দূর করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্যামলী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা (বর্তমান), ৫০০ শয্যা (নতুন ভবন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!