📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক অবহেলায় নবজাতক মৃত্যুর পর স্বজনরা ভাঙচুর চালায়, অভিযোগ: হত্যা চেষ্টা

খুলনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক অবহেলায় নবজাতক মৃত্যুর পর স্বজনরা ভাঙচুর চালায়, অভিযোগ: হত্যা চেষ্টা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা কেন্দ্রে ভাঙচুর চালায়। ফারহানা আক্তারের সন্তান রাতের মধ্যে মৃত্যুবরণ করে, পরিবার অভিযোগ করে চিকিৎসকদের ইচ্ছাকৃত হত্যা চেষ্টা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে

খুলনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসকদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা কেন্দ্রে ভাঙচুর চালিয়েছে। বুধবার সকালে স্যার ইকবাল রোডে অবস্থিত এই কেন্দ্রের জানালার কাচ ভেঙে ফেলা হয়। ফারহানা আক্তারের সন্তান রাতের মধ্যে মৃত্যুবরণ করে, যা পরিবারকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাত ১০টায় প্রসববেদনা নিয়ে ফারহানা আক্তারকে কেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের অবহেলায় রাত ৩টার দিকে নবজাতক মৃত্যুবরণ করে
  • 📌 স্বজনরা সকাল ৮টার দিকে কেন্দ্রে ভাঙচুর চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়
  • 📌 ফারহানার ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নবজাতককে হত্যা করেছেন’ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান
  • 📌 কেন্দ্রের কর্মকর্তা জানান, প্রসূতির অবস্থা নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে নবজাতকের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি
  • 📌 খুলনা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন রিপন বলেন, ভাঙচুরের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে

📰 বিস্তারিত

ফারহানা আক্তারকে মঙ্গলবার রাত ১০টায় খুলনা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের বলা হয়েছিল, তিনি স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করবেন। তবে রাত একটার দিকে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ঘুমিয়ে পড়েন। প্রসববেদনা বাড়লেও কোনো সহায়তা পাননি পরিবার। রাত ৩টার দিকে প্রসূতির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে।

পরিবারের দাবি, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কেন্দ্রের কর্মী নবজাতককে টেনে বের করার চেষ্টা করেন। সেই সময়ই শিশুটির মৃত্যু হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা কেন্দ্রে ভাঙচুর চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ফারহানার ভাই সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নবজাতককে হত্যা করেছেন। এমন ঘটনা এর আগেও এখানে ঘটেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) জানান, মঙ্গলবার সকালে ফারহানা আক্তারকে আলট্রাসনোগ্রাফি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করান। ওই পরীক্ষার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ ছিল আরও এক মাস পর। তবে মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ প্রসববেদনা শুরু হলে তিনি কেন্দ্রে ভর্তি হন। কর্মকর্তা বলেন, রাতে প্রসূতির দেখাশোনা করা হয়েছিল, তবে নবজাতকের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।

খুলনা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন রিপন বলেন, ‘ভাঙচুরের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"তারা ইচ্ছা করে নবজাতককে হত্যা করেছেন। এমন ঘটনা এর আগেও এখানে ঘটেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা, স্যার ইকবাল রোডে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারহানা আক্তার, সাইদুল ইসলাম, মো. লোকমান হোসেন রিপন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০০ (রাত), ১:০০ (রাত), ৩:০০ (রাত), ৮:৩০ (সকাল), ১২:০০ (বেলা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖