📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা সিটি করপোরেশনের মশা-নিধন ওষুধে ১৫% লার্ভা বেঁচে যায়: দুর্নীতির অভিযোগ উঠে

খুলনা সিটি করপোরেশনের মশা-নিধন ওষুধে ১৫% লার্ভা বেঁচে যায়: দুর্নীতির অভিযোগ উঠে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) মশা-নিধন ওষুধের পরীক্ষায় দেখা যায়, ১৫% লার্ভা মারা যায়নি। ওষুধ ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে নাগরিক সমাজের সদস্য জোর দিয়েছেন জবাবদিহির দাবিতে। খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) মশা-নিধন কার্যক্রমে ব্যবহৃত ওষুধের মান পরীক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য প্রকাশ পেয়েছে। গতকালের পরীক্ষায় দেখা যায়, ওষুধের কার্যকারিতা ৮৫% ছাড়িয়ে যায়নি — মোট ১৫% মশার লার্ভা মারা যায়নি। এই তথ্য প্রকাশের পর ওষুধের চালান ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও, ওষুধ ক্রয়ের পেছনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা সিটি করপোরেশনের মশা-নিধন ওষুধের পরীক্ষায় ১৫% লার্ভা বেঁচে যায় — ওষুধ ফেরত পাঠানো হয়েছে
  • 📌 ১৫৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে মশার লার্ভা নিধনে, প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন
  • 📌 ৩১টি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন দিয়ে উড়ন্ত মশা নিধন ও ওয়াসার ম্যানহোলে তেল ছিটানো হচ্ছে
  • 📌 ৪৪ লাখ টাকায় ক্রয় করা ওষুধের মান পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণ পাওয়া গেছে
  • 📌 খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে

📰 বিস্তারিত

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে মশা-নিধন কার্যক্রমে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে মশার লার্ভা নিধনের জন্য ১৫৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন শ্রমিক প্রতিদিন ড্রেন, বদ্ধ জলাশয়সহ প্রয়োজনীয় স্থানে মশার লার্ভা নিধনে কাজ করছেন। এছাড়াও, কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রমিকেরা ৩১টি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন দিয়ে উড়ন্ত মশা নিধন এবং ওয়াসার ম্যানহোলে লাইট ডিজেল অয়েল বা কালো তেল ছিটাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি শনিবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। ওষুধের মান পরীক্ষায় দেখা যায়, ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মারা যায়নি। ওষুধের চালান ফেরত পাঠানো হয়েছে। কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বেশির ভাগ লার্ভা মারা যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পর দেখা যায়, ১৫ শতাংশ লার্ভাও মরেনি। তিনি বলেন, ওষুধের চালান ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত নতুন ওষুধ কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৪৪ লাখ টাকায় ক্রয় করা ওষুধের মান পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘নিম্নমানের ওষুধ ক্রয়ের বিষয়ে আমরা বারবার অভিযোগ করে আসছি। সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এম আর এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।’

"আমরা বারবার অভিযোগ করে আসছি। সত্য প্রমাণিত হলো। ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।"

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ২৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২১৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৭৩ জন। তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে খুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি। তবে প্রকৃতপক্ষে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা সিটি করপোরেশন, খুলনা মহানগরী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম মঞ্জু (কেসিসি প্রশাসক), বাবুল হাওলাদার (নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব), ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন (বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৫ জন শ্রমিক, ১৫% লার্ভা বেঁচে যায়, ৪৪ লাখ টাকা ওষুধ ক্রয়, ৩১টি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন ব্যবহার, ২৯০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖