📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম মেডিকেলে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের সংকট: মাসে মাত্র ৬-৭টি অস্ত্রোপচার, সেবা সীমিত

চট্টগ্রাম মেডিকেলে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের সংকট: মাসে মাত্র ৬-৭টি অস্ত্রোপচার, সেবা সীমিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে মাসে সর্বোচ্চ ৬-৭টি অস্ত্রোপচার হচ্ছে। জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে বিভাগটি সেবা প্রদানে সক্ষমতা হারিয়েছে। চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে হার্ট রোগের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গভীর সংকট দেখা দিয়েছে। সপ্তাহে ছয় দিন অস্ত্রোপচার করার সক্ষমতা থাকলেও মাসে সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৭টি অস্ত্রোপচার হচ্ছে। চট্টগ্রামসহ সাতটি জেলার মানুষের কার্ডিয়াক সার্জারির জন্য এই হাসপাতালই সরকারি একমাত্র সেবাদাতা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম মেডিকেলে মাসে মাত্র ৬-৭টি কার্ডিয়াক অস্ত্রোপচার হচ্ছে, যা সপ্তাহে ৬ দিনের সক্ষমতার বিপরীতে
  • 📌 বিভাগে কর্মরত ৬ জন সার্জন, ২ জন অবেদনবিদ ও মোট ৪০ জনের জনবল — শুরুতে চাহিদা ছিল ৯০ জন
  • 📌 ৪০ শয্যার কার্ডিয়াক বিভাগ চালু ২০১৩ সাল থেকে, কিন্তু যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটে সেবা সীমিত
  • 📌 চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে প্রতি হাজারে ৩৪-৩৬ জন হার্ট রোগী — জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি
  • 📌 ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য দুটি অস্ত্রোপচার কক্ষের মধ্যে একটি নষ্ট, ভেন্টিলেটর ও হার্ট মেশিনের সংকট

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ক্রমাগত সংকট দেখা দিচ্ছে। বিভাগে কর্মরত সার্জনদের সংখ্যা মাত্র ছয়জন। সপ্তাহের ছয় দিন অস্ত্রোপচার করার সক্ষমতা থাকলেও মাসে সর্বোচ্চ ছয় থেকে সাতটি অস্ত্রোপচার হচ্ছে। রোগী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা থেকে জানা যায়, বিভাগটি কখনোই পুরোপুরি সেবা দিতে পারেনি। শুরুর দিকে সপ্তাহে অন্তত তিনটি ওপেন হার্ট সার্জারি হতো, কিন্তু দিনে দিনে তা কমে এসেছে।

চট্টগ্রামসহ কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার মানুষের কার্ডিয়াক সার্জারির জন্য এই হাসপাতালই সরকারি একমাত্র সেবাদাতা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৫ সালের ‘হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে’ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে প্রতি হাজারে গড়ে ৩৪ থেকে ৩৬ জন হার্ট রোগী রয়েছে — যা জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি। ঢাকা ও রংপুর বিভাগে এই হার তুলনামূলক কম, প্রতি হাজারে ২৪ থেকে ২৬ জন।

চিকিৎসকদের মতে, সেবা সীমিত হওয়ার পেছনে দুটি প্রধান কারণ: পর্যাপ্ত জনবল না থাকা ও যন্ত্রপাতির সংকট। বিভাগটি পূর্ণ সেবা দিতে ৩৫ জন চিকিৎসক, ২৫ জন নার্সসহ মোট ৯০ জনের জনবল চাহিদা ছিল। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৪০ জনের জনবল নিয়ে কাজ চলছে। শুরুতে চিকিৎসকদের পদে ১২ জন সার্জন, ৪ জন অবেদনবিদ, ২ জন চিকিৎসা কর্মকর্তা, ৪ জন সহকারী রেজিস্ট্রার ও ১ জন রেজিস্ট্রার থাকার কথা ছিল। বর্তমানে কর্মরত আছেন ছয়জন সার্জন, দুজন অবেদনবিদ, একজন রেজিস্ট্রার ও তিনজন সহকারী রেজিস্ট্রার। পারফিউশনিস্ট পদেও কাউকে নিয়োগ করা হয়নি।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ৪০ শয্যার কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগ চালু হয়। শুরুতে কার্ডিয়াক সার্জারি, পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সার্জারি, কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিয়া ও ভাসকুলার সার্জারি ইউনিট চালুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভাসকুলার সার্জারিকে আলাদা বিভাগ করা হয়। বর্তমানে বিভাগে বহির্বিভাগ, আইসিইউ, অস্ত্রোপচার ও সাধারণ শয্যা সেবা রয়েছে। বিভাগে অস্ত্রোপচার শুরু হয় ২০১৪ সালের এপ্রিলে। ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগে মোট ৯১২টি অস্ত্রোপচার হয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশ ওপেন হার্ট সার্জারি।

যন্ত্রপাতির সংকটও বিভাগের জন্য বড় সমস্যা। ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য দুটি অস্ত্রোপচার কক্ষের মধ্যে একটি নষ্ট। চারটি ভেন্টিলেটরের মধ্যে কার্যত একটি সচল, হার্ট-লাং ও অ্যানেসথেসিয়া মেশিনের দুটির মধ্যে একটি করে সচল। বাকিগুলো চার থেকে পাঁচ বছর ধরে নষ্ট রয়েছে। ২০২৪ সালে এক মাস এবং করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে দুই মাস অস্ত্রোপচার বন্ধ ছিল। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ জন রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন, কিন্তু মাসে গড়ে মাত্র ১০ জন রোগী অস্ত্রোপচারের জন্য ভর্তি হন।

"৯ কোটি টাকা খরচ করে ভবনসহ যন্ত্রপাতি দিয়ে বিভাগটি চালু হয়েছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল ও পরবর্তী সময়ে যন্ত্রপাতির জন্য বরাদ্দ না দেওয়ায় চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকলেও বিভাগটির পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।"

— মোহাম্মদ ফজলে মারুফ (সাবেক সহকারী অধ্যাপক, বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট)

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ফজলে মারুফ (সাবেক সহকারী অধ্যাপক), চিকিৎসক ও নার্সরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬-৭টি (মাসে অস্ত্রোপচার), ৯০ জন (চাহিদা), ৪০ জন (বর্তমান জনবল), ৯১২টি (মোট অস্ত্রোপচার), ৩৪-৩৬ জন (চট্টগ্রামে প্রতি হাজারে হার্ট রোগী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖